খোলা আকাশের তুমি চঞ্চল ঘুড়ি,
শূন্যে উঠেই সুখে করো ওড়াউড়ি।
খুশিতে কখনো দোদুল দোলায় দোলো,
কখনো উঁচুতে দুরন্ত মাথা তোলো।
দমকা বাতাসে কখনো গোত্তা খাও,
কখনো সামনে কখনো পেছনে যাও।
বাতাস তোমাকে মারে যেই মৃদু ঠেলা,
রঙিন পোশাকে তখন দেখাও খেলা।
এদিক-ওদিক পাখির মতন ওড়ো,
নৃত্যের তালে ছন্দ ও লয়ে ঘোরো।
উল্লাসে তুমি যেও না কথাটা ভুলে,
আমিই তোমাকে আকাশে দিয়েছি তুলে।
তোমাকে দিয়েই দূর থেকে আমি খেলি,
শূন্যে উড়িয়ে আনন্দে চোখ মেলি।
সুতোর লাটাই রয়েছে আমার হাতে,
লাগাম তোমার একটুও নেই তাতে।
সুতো ধরে আমি মারলে সজোরে টান
থামবে তোমার ওড়াউড়ি, নাচ-গান।
তাই মনে রেখো—বেশি বাড় ভালো নয়,
সুতো ছিঁড়ে তাতে আছে পতনের ভয়।
