জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪২

একজন শিক্ষার্থী কঠোর পরিশ্রম আর সাধনা করে ভালো পরীক্ষা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনের জন্য। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো পরীক্ষা দিয়েও ফেল করার ঘটনা অহরহ। ঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করায় অনেক শিক্ষার্থীর সময় নষ্ট হচ্ছে, জীবন নষ্ট করেছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমি এবার চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবো। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে যদি বলি—প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় বর্ষ কোনোবারই আমার প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল হয়নি। এমন হয়েছে, পরীক্ষা খারাপ হয়েছে অথচ ফলাফল ভালো। আবার পরীক্ষা ভালো হয়েছে ফলাফল খারাপ। বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারি—সমস্যাটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের। আমরা মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পার করে এসেছি। আগের থেকে অনেক ম্যাচিউরড। আমরা বুঝতে পারি আমাদের পরীক্ষা কেমন হয়েছে। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল আসে না। আমরা যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি—সবারই খাতা মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ আছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা ফাইনাল ইয়ারে, কেননা সেখানে কোনো বিষয়ে ফেল করলে একটা বছর নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু একটা বছর কেন, এক মিনিট সময় নষ্ট করা মানে অনেক পিছিয়ে যাওয়া। এই সমস্যা সমাধানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত খাতা মূল্যায়নের ব্যাপারে সচেতন হওয়া এবং ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সেশনজটের মতো একটা বড়ো সমস্যাকে যদি আয়ত্তে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে এই খাতা মূল্যায়নের ব্যাপারটাও সমাধান করতে পারবে। পরিশেষে, কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ এই যে, আমাদের স্বপ্নগুলোকে ডাস্টবিনে ছুড়ে দেবেন না।

আবদুল্ল­াহ আল নোমান

উদ্ভিদবিজ্ঞান চতুর্থ বর্ষ,

চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ