ইত্তেফাক রিপোর্ট
কক্সবাজারে বৃক্ষ উজাড় হওয়া রোধ ও এই অঞ্চলে জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ঢাকায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘের তিনটি সংস্থা একসঙ্গে শুরু করল সেইফ একসেস্ টু ফুয়েল অ্যান্ড এনার্জি প্লাস লাইভলিহুডস্ (সেইফ প্লাস) প্রকল্প। সেইফ প্লাস জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) যৌথ উদ্যোগে নেওয়া এক প্রকল্প। এর মাধ্যমে বিভিন্নভাবে, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও স্টোভ বিতরণ, পুনঃবনায়ন এবং লাইভলিহুডস্ কার্যক্রমের দ্বারা অধিকতর খাদ্য উত্পাদনের মাধ্যমে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে কাজ করা যাবে। গতকাল রবিবার শেরেবাংলা নগরে ইআরডি সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।
ইতিপূর্বে, মানবিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই কার্যক্রমগুলো সম্পন্ন করা হতো। এই চুক্তির ফলে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে একটি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে রূপ নিল, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন সাধন করা হবে বলে আশা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ্ কামাল বলেন, কক্সবাজারের পরিবেশ-বিষয়ে আমরা উন্নয়ন সহযোগীদের আরো সহযোগিতা করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করছি। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব এবং জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান জাতিসংঘের তিন সংস্থাকে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ জানান। অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, যতদিন না রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন শেষ হবে, ততদিন পর্যন্ত সেইফ প্লাস প্রকল্প চালিয়ে যাওয়া উচিত। এফএও বাংলাদেশের প্রতিনিধি রবার্ট সিম্পসন বলেন, সেইফ প্লাস জাতিসংঘের এই তিনটি সংস্থা ও সরকারি সংস্থাগুলোর কারিগরি দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যার মাধ্যমে কক্সবাজারের জনগোষ্ঠীর নিত্যনতুন প্রয়োজনগুলো মেটানো হবে।
