আলো-আঁধারির মায়াবী স্পর্শে পাল্টে যেতে পারে আশপাশের পরিবেশ, বদলে দিতে পারে আপনার ঘরের আবেদন। অন্দরসজ্জায় আজকাল তাই আলো-আঁধারিকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কিছু বৈচিত্র্য, কিছু নতুনত্ব আপনার অন্দরের সজ্জায় এনে দেবে ভিন্নমাত্রা। আলো-ছায়া নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন।
চোখটা বন্ধ করে ভাবুন তো, দক্ষিণের খোলা বসার ঘরের এক কোণায় রাখা লম্বাটে ল্যাম্পশেড। ক্লান্ত দিনের শেষে ঘরের আর সব বাতি নিভিয়ে দিয়ে সেখানে বসে আছেন আপনি। শুনছেন হালকা ভলিউমে রবীন্দ্রসংগীত। ভাবতেই ভালো লাগছে নিশ্চয়! এমন একটা পরিবেশেই কাটিয়ে দিতে মন চাইছে হাজারটা বছর? তা তো আর সম্ভব নয়। তবে চাইলেই আপনার দিনের কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটাতে পারেন ঘরের এই কোণটাতে। তৈরি করে নিতে পারেন মনের মতো আবাস। আর বিবাহবার্ষিকী বা জন্মদিনে তো প্রিয় মানুষটির জন্য আপনার ব্যতিক্রমী কোনো ডিনার আয়োজনের শখ জাগতেই পারে। কিন্তু কোনো রেস্তোরাঁর বদ্ধপরিবেশ হয়তো আপনার পছন্দ না। সেজন্য বাড়ির চেনা আস্তানাতেও অনায়াসে বানিয়ে ফেলতে পারেন রোমান্টিক ডিনারের পরিবেশ। তবে রোমান্টিক ডিনার বলতেই কি মনের পর্দায় প্রথমে ভেসে আসে হালকা মোমবাতির আলো। ধরে নিন, মোমবাতির পরিবর্তে এ জায়গাটার উপর থেকে ঝুলছে হালকা কোনো আলো। খুব খারাপ লাগবে না বোধহয়। তবে আপনার অন্দর মহলে কেমন আলো-ছায়ার ব্যবহার করবেন, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার অন্দরসাজের উপর। মনে করুন, খুব রং ঝলমলে ঘর আপনার, সেখানে কিন্তু মেটাল স্ট্যান্ড ভালো লাগবে না। সেখানে একটু উজ্জ্বল আলো ভালো মানাবে। একটু ছিমছাম পছন্দ করলে ল্যাম্পশেডও বাছুন ছিমছাম। ডাইনিং স্পেসে একটু বেশি আলোর দরকার হয়, তবে তা যেন চোখে এসে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এখানে বেছে নিতে পারেন কাঠের তৈরি স্ট্যান্ড।
আর যদি আপনি ঘরে একটি রাজকীয় ভাব আনতে চান, তাহলে দরকার বড় সাইজের একটা ল্যাম্পশেড। তার মানে যে এলাহি সাইজের ল্যাম্প, তা কিন্তু নয়। আপনার ঘরের আকার অনুযায়ী বেছে নিন ল্যাম্প। প্রয়োজনে নিজে অর্ডার করেও বানিয়ে নিতে পারেন। সাজিয়ে তুলতে পারেন আপনার ঘর আলো-আঁধারিতে।
