এই মুহুর্তে ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সকেই যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে সম্ভাবনাময়ী বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, নভেম্বরের নির্বাচনে তিনিই হয়তো রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারাতে পারবেন। মার্কিন জনগণ শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেবেন, তা তো ভোটেই নির্ধারিত হবে। কিন্ত ৭৮ বছর বয়সী স্যান্ডার্সকে মনোনয়ন দিতে তার নিজের দলই প্রস্তুত কি না, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন জোরেশোরেই এ প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।
ভারমন্টের এ সিনেটর নিজের নির্বাচনী প্রচারণাকে অ্যাখ্যা দিচ্ছেন ‘বিপ্লব’ হিসেবে। প্রায় বছরখানেক ধরে চলা একের পর এক সমাবেশ, বৈঠক, বিতর্ক আর মাঠ পর্যায়ের কাজের পর তার প্রচারণা এখন প্রবেশ করছে লাগামহীন দৌড়ে। দুটি অঙ্গরাজ্যে ভোট বেশি পেয়েছেন স্যান্ডার্স। কিন্তু ডেলিগেটে সামান্য এগিয়ে সাউথ বেন্ডের সাবেক মেয়র। স্যান্ডার্স অবশ্য এই হিসাবকে গণায়ই ধরছেন না।
চার বছর আগেও আইওয়াতে হিলারির সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল স্যান্ডার্সের। সেবারও নিউ হ্যাম্পশায়ারে জিতেছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে লড়াইটা ছিল মূলত এ দু’জনের। তুলনায় এখন স্যান্ডার্স বেশ শক্ত অবস্থানে। কেননা, তার বিরোধীরা বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।
বিবিসির বিশ্লেষকরা বলছেন, একদিকে বাইডেন, ওয়ারেনের জনপ্রিয়তা কমছে, অন্যদিকে প্রায় একই সময়ে স্যান্ডার্সের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। তাই চুড়ান্ত লড়াইয়ে ট্রাম্পের মুখোমুখি হবার বেশ সম্ভাবনা তৈরী করেছেন তিনি।
