ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যানবাহন চালকরা প্রতিদিনই নিষিদ্ধ ইউ-টার্ন-এ গাড়ি ঘোরাচ্ছেন। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে মহাসড়কে চলাচলরত দ্রুতগতির গাড়িগুলো। আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লং ভেহিকেলসহ ভারী যানবাহন চলাচল করে এই মহাসড়কে। তাছাড়া পর্যটন খ্যাত কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রামগড়, কাপ্তাইতে প্রতিদিনই সারা দেশ থেকে আসা-যাওয়া করছে লাখ লাখ মানুষ। মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত হওয়ার পর অনেকটা প্রতিযোগিতা চলে বিভিন্ন শ্রেণির যানবাহন চালকদের মধ্যে। এতে কখনো কখনো দুর্ঘটনাও ঘটছে। হতাহত হচ্ছে অনেকেই। মহাসড়কে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাস বা ট্রাক ‘বে’, ইউটার্ন, ইউটার্ন নিষিদ্ধে সতর্কতামূলক চিহ্ন এঁকে দেয়। মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে—নির্ধারিত ‘বে’ ছাড়াও মহাসড়কের কোটবাড়ি নন্দনপুর, আলেখারচর বিশ্বরোড, নাজিরাবাজার, কাবিলা, কোরপাই, চান্দিনা, গৌরীপুর, দাউদকান্দি ও একাধিক স্থানে মালবাহী যানবাহনের চালকরা অবৈধ পার্কিং করায় অপেক্ষমাণ গাড়িকে চলন্ত গাড়ি ধাক্কা দিয়ে দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছে। এদিকে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকায় চার লেনের একপাশ থেকে অন্যপাশে যাওয়াতে ইউটার্ন ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। আলেখারচর এলাকায় মহাসড়কের ঢাকা-চট্টগ্রাম দু’দিক হয়ে কুমিল্লা মহানগরীতে প্রবেশ ও বের হওয়ারও দুটি সড়ক রয়েছে। ফলে এমনিতেই স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ। এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ যথাযথ দায়িত্ব পালন করলে নিষিদ্ধ ইউটার্ন ও উলটোপথে গাড়ি চালানো বন্ধ হবে। দুর্ঘটনায় হতাহতের হাত থেকে বেঁচে যাবেন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।
মামশাদ কবীর, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা ৩৫০০
