শিগগিরই সরিতে দেওয়া হচ্ছে পেন্টাগনের শীর্ষ নীতি-নির্ধারণী কর্মকর্তা জন রুডকে। সূত্রের বরাত দিয়ে সিএএনের খবরে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের আন্ডার সেক্রেটারি অব ডিফেন্স ফর পলিসি জন রুড ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ জাতীয় নিরাপত্তা নেতৃত্বের সমর্থন হারিয়েছেন। তাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। জন রুড পেন্টাগনের শীর্ষ নীতি-নির্ধারণী কর্মকর্তা এবং তিনি মার্কিন মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে পেন্টাগনের সম্পর্ক রক্ষার বিষয়টি দেখভাল করেন।
ইউক্রেন ২৫ কোটি মার্কিন ডলার নিরাপত্তা সহায়তা পেতে উল্লেখযোগ্য সংস্কার করেছে বলে কংগ্রেসে প্রত্যায়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্ত ছিলেন তিনি। কিয়েভের দুর্নীতি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের যে উদ্বেগ ছিলো—সেটা এই প্রত্যায়নের মাধ্যমে খর্ব করা হয়েছিল। অথচ এই দুর্নীতির উদ্বেগকে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু সদস্য ইউক্রেনে সহায়তা বন্ধে কাজে লাগিয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিরুদ্ধে কথিত দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করতে ইউক্রেনকে চাপ দিয়েছিলেন। এজন্য সামরিক সহায়তাকে ঘুষ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন। যে কারণে তিনি ইমপিচমেন্টের মুখে পড়েন। এদিকে বিচার বিভাগ ও বিভিন্ন মামলা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক টুইটে বিরক্ত ও হতাশার কথা জানিয়েছিলেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। এবার জানা গেছে, বিরক্ত হয়ে তিনি পদত্যাগের কথাও ভেবেছিলেন। এই বিষয়টি তিনি ঘনিষ্ঠ লোকদের কাছে বলেছেন। মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা এপিকে এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে বারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলের এখনই পদত্যাগের কোনো পরিকল্পনা নেই।
