ফোরকালার অধঃপতন এগিয়ে চলেছে দেখে আঙুল গোনেন বিধাতা
মগডালে বসে সিদরাতুল মুনতাহার—যেখানে পাখি নেই—মেঘ নেই, শুধু
ঝুলে আছে শূন্যতার চাদর। বিধাতাদের রাজত্ব অথচ দায় স্বীকারে
অসম্মত তারা! তাদেরই লোকের হাতে কুড়াল ও হাতুড়ি, বারুদ ও বিষ।
তবে বিধাতারা জানেন—কী করে দিনদুপুরে রাতের অজুহাত হতে হয়—
‘প্রার্থনার সময় আমাকে কোনো জরুরী প্রয়োজনেও ডাকা যাবে না!’
বিধাতারা মগ্ন প্রার্থনায়—হাতুড়ি ভেঙে চলেছে সভ্যতার সাদা মিনার, বাদামি
চূড়া; যা-কিছু সবুজ, যা-কিছু সতেজ, এবং যা-কিছু হেমন্তখেতের মতো
সোনালি—তাদের গোড়ায় ঢেলে দেয়া হচ্ছে বিষ; দ্রুত বদলে যাচ্ছে রঙ।
সবুজের বংশধর হয়ে উঠছে পাথর; পাথরে পাথর লেগে জ্বলে উঠছে আগুন
এ আগুন প্রস্তরযুগের আগুন নয়; দ্যাখো—পুড়ছে বনভূমি, জ্বলছে ঘরদোর!
পাথরেরা পুড়ছে না—পাথরেরা কাঁদছে না। ও পাথর, কবে তুমি প্রস্তরযুগের
পাথর হবে? দুই হাতে দুটি নিয়ে কেউ জ্বালিয়ে দেবে—ফোরকালার আদিমতা!
