তথ্যবিভ্রাট দূর হোক

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪১

১৯৫২-র ফেব্রুয়ারি মাসের ২১ তারিখে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রাজপথে প্রাণ দেন রফিক, সফিউর, সালাম, জব্বার, বরকত ও অহিউল্লাহসহ আরো নাম না-জানা ভাইয়েরা। ভাষা আন্দোলনের বীজ বপিত হয় ১৯৪৭-এ অর্থাত্ ভারত উপমহাদেশ বিভক্তির পরপরই। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে কংগ্রেস দলীয় গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু যে তারিখে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন সে তারিখটি একেক জায়গায় একেক রকম! যেমন—জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ‘পৌরনীতি ও সুশাসন’ (দ্বিতীয় পত্র)-এ লেখা হয়েছে, ‘১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেস দলীয় গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত একটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ২৫ তারিখ এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান, পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন এবং গণপরিষদের সহ-সভাপতি মৌলভী তমিজউদদীন খান (ফরিদপুর) ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের আনীত প্রস্তাবের কড়া সমালোচনা করেন। উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, ‘১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাতেও রাখার দাবি উত্থাপন করেন।’ বাংলাপিডিয়ায় দেখা যায়, ‘১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত অধিবেশনের সকল কার্যবিবরণী ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলাও অন্তর্ভুক্ত রাখার দাবি উত্থাপন করেন।’ প্রশ্ন হচ্ছে, সঠিক তারিখ কোনটি?*

কৃষ্ণপদ রায়

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

*২৫ ফেব্রুয়ারি