প্রবাসী পরিবারগুলোর দিকে নজর দিন

আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪১

চলতি বছরের ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৯৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম মাধ্যমও রেমিট্যান্স। কিন্তু যাদের  পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির ভিত মজবুত হচ্ছে, দেশে থাকা তাদের পরিবারগুলোর অবস্থা অনেকটাই বেহাল। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী পরিবারগুলো অর্থাত্ যে সব দেশে পরিবার নিয়ে থাকার সুযোগ নেই কিংবা সীমিত। পরিবারের কর্তার অর্থাত্ পুরুষশূন্যতায় পাড়া-প্রতিবেশী এমনকি আত্নীয়স্বজনেরাও নানাভাবে হয়রানি করছে। প্রবাসীর প্রেরিত অর্থ হাতিয়ে নিতে এদের আছে নানারকম ফাঁদ। ঋণের নামে টাকা নিয়ে ফেরত দেওয়ার নাম করছে না। বেশি তাগাদা দিলে অন্য আর একটা ঝামেলায় ফেলছে। কোথাও নালিশ করলে সেও আর এক দফা শোষণ করছে। অন্যদিকে প্রবাসী পরিবারের সদস্যরাও ক্ষেত্রবিশেষে যে যার মতো চলছে। কেউ কাউকে মানছে না। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করছে না। বখে যাচ্ছে। কেউ কেউ মাদকসেবী হচ্ছে। কেউ কেউ অসম প্রেমে জড়াচ্ছে। সম্প্রতি বরিশালের বানারীপাড়ার এক প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া জেনে ফেলায় স্ত্রীর প্রেমিক কর্তৃক তিন খুনের ঘটনা  ঘটেছে। বরিশালের উজিরপুরের পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যা করেছে এক প্রবাসীর স্ত্রী। এটিও একটি সামাজিক সমস্যা। সমাজের এই অংশটার এহেন অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। তাই অবস্থা জটিল থেকে জটিলতর হওয়ার আগেই প্রবাসী পরিবারগুলোর রক্ষাকল্পে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

মাহবুবুল হক ইকবাল

দক্ষিণ আলেকান্দা,

বরিশাল