সোনাগাজী ও দাগনভূঁঞা দুই উপজেলা মিলে গঠিত নির্বাচনী ফেনী-৩ আসন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী সংখ্যা ৫ জন। এ আসনে মহাজোট প্রার্থী (জাতীয় পার্টি) লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচন করছেন বেঙ্গল টাইগার লে: জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন আকবর হোসেন।
দলের প্রতীক পাওয়ার পর সোনাগাজী ও দাগনভূঁঞা এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে পড়েছেন লে. জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। রাত দিন নির্ঘুম অবস্থায় ফেনীর সোনাগাজী ও দাগনভূঁঞায় গ্রাম-গঞ্জে ও চরাঞ্চলের মানুষের দারে দারে গিয়ে পরিচিত হচ্ছেন এবং তাকে মহাজোট প্রার্থী হিসেবে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি। নির্বাচিত হলে তার সংসদীয় আসনে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ভূমিকা রাখবেন বলে সকলকে আশ্বাস দিচ্ছেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।
ভোটরা বলছেন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী সোনাগাজী উপজেলা এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। আসন্ন সংসদ নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হলে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করতে পারবেন। শুধু ফেনী-৩ আসন নয়, পুরো ফেনী জেলায় উন্নয়নে একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবেন তনি। যার কারনে মহাজোট প্রার্থীকে দলমত নির্বিশেষে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচিত করার জন্য সকলেই কাজ করছেন।
আরো পড়ুন: ফেনী-১: নৌকা নিয়ে লড়ছেন জাসদের শিরিন আখতার, ধানের শীষের প্রার্থী মুন্সী রফিকুল
অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী আকবর হোসেন ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর তার দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে দুই উপজেলায় মিছিল মিটিং করার পর থেকে তাকে এবং তার দলীয় নেতাকর্মীদের তেমনভাবে মাঠে দেখা যাচ্ছে না। কেউ কেউ বলছেন, গোপনে তারা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
ফেনী-৩ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মাঈন উদ্দিন (চেয়ার), প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী মো. গোলাম হোসেন (বাঘ)।
এ আসন সোনাগাজী উপজেলা ১টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন এবং দাগনভূঁঞা উপজেলা ১টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। দুই উপজেলায় পুরুষ ও মহিলা ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩,৯৩,৪৫৪ জন।
ইত্তেফাক/বিএএফ
