দুদক মামলা করলেও পার পেয়ে যাচ্ছে অভিযুক্তরা

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:২৩

পদ্মা অয়েলে অসন্তোষ

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করলেও পার পেয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজরা। সরকারি তেল কোম্পানি পদ্মা অয়েলের কর্মকর্তাসহ দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদক অর্থ আত্মসাতের মামলা করে। পরবর্তীতে ওসব কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত কিংবা ব্যবস্থা না নেওয়ায় খোদ কোম্পানিতেই চরম অসন্তোষ দেখা দেয়।

এছাড়া, পদোন্নতি-পদায়নের ক্ষেত্রেও অনিয়মের কারণে পদ্মা অয়েল কোম্পানিটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। জানা যায়, কতিপয় কর্মকর্তার লাগামহীন দুর্নীতির কারণে আর্থিক ক্ষতিতে পড়ছে কোম্পানিটি। দুদক কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করলেও অধরা রয়ে গেছেন অনেকেই। ফলে, ক্রমেই বাড়ছে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনার প্রতিকার না করে বরং দায়ী ব্যক্তিদের পদোন্নতি ও প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এমনকি দায়িত্ব পেয়ে দুদকের অভিযুক্ত কোম্পানিকেই মংলা অয়েল ইনস্টলেশনে ডিজাইন, কনস্ট্রাকশনের কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে চাপা ক্ষোভ রয়েছে কোম্পানির অভ্যন্তরেই। সূত্রমতে, ম্যাক্সওয়েল ও পাইপলাইনার্স জেভিকে ঐ কাজ দেওয়া হয়েছে। অথচ এর আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জেট ফুয়েল হইড্রেন্ট লাইন নির্মাণে প্রায় তিন কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে। এতে আসামি ছিলেন কোম্পানির সাবেক এমডি আবুল খায়ের, প্রকল্প পরিচালক আলী হোসেন ও ম্যাক্সওয়েল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের এমডি ফাহিম জামান পাঠান। এছাড়া খুলনার দৌলতপুরে তিনতলা অফিস ভবন নির্মাণ কাজে ৩৩ লাখ টাকা আত্মসাতেও অপর একটি মামলা দায়ের করেন দুদক কর্মকর্তারা। এতে আসামি করা হয় প্রকল্প পরিচালক নুরুল আমিন, কর্মকর্তা আবদুর রহিম, সালেহিন আহমেদ আক্কাস ও ইউনুস এন্ড কোম্পানির মালিক আনিসুর রহমান।