রাজ্জাকময় একটি দিন

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৩১

বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ

 স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি প্রথম শ্রেণির উইকেটের মালিক তিনি। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট শিকারের কীর্তিও তার। এই অঙ্গনে নতুন কিছু অর্জন করার বাকি আছে তার সামান্যই।

গতকাল আরেকবার নিজের নামটা লিখিয়ে রাখলেন আব্দুর রাজ্জাক। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের চলতি মৌসুমের শেষ রাউন্ডের প্রথম দিনেই দেশের অভিজ্ঞ স্পিনার ৭ উইকেট তুলে নেন।

দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরাঞ্চল। উদ্বোধনী জুটিতে তারা ৬০ রান তুলে ফেলে। মিজানুর রহমানকে আউট করার ভেতর দিয়ে এই জুটি ভাঙেন রাজ্জাক। এরপর রাজ্জাকের টানা আঘাতে ১৩৬ রানে ৬ উইকেট জারিয়ে ফেলে উত্তরাঞ্চল। এখান থেকে আরিফুল হক ও জিয়াউর রহমান। ১৩৫ রানের একটা জুটি করেন। রাজ্জাকের শিকার হয়ে ফেরা আরিফুলের জন্য এটা ছিল দারুণ আফসোসের দিন। মাত্র ২ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন তিনি। ১৫১ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৯৮ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন আরিফুল। অন্য দিকে জিয়াউর করেন ৬৯ রান।  রাজ্জাক শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে তুলে নেন ৭টি উইকেট। এ ছাড়া শফিউল, মেহেদী ও নাহিদুল একটি করে উইকেট নেন।

উত্তরাঞ্চল ২৯৩ রানে অলআউট হয়। জবাবে গতকালই ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণাঞ্চল মাত্র ৫ রানেই ওপেনার শাহরিয়ার নাফীসের উইকেট হারায়। দিনশেষে ২১ রান তুলেছে তারা ওই ১ উইকেটে।

সিলেটে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় পূর্বাঞ্চল। দিনশেষে ৮ উইকেটে তুলেছে ৩৮০ রান।

আগে ব্যাট করতে নেমে বিনা রানেই ওপেনার রনি তালুকদারের উইকেট হারায় পূর্বাঞ্চল। এরপর কোনো ব্যাটসম্যান তিন অঙ্কে পৌঁছাতে না পারলেও সবার কাছ থেকে ভালো অবদান পেয়েছে দলটি। অনেকগুলো মাঝারি জুটি হয়েছে। দ্বিতীয় উইকেটেই ইমরুল কায়েস ও মুমিনুল হক ১৩৬ রানের জুটি। মুমিনুল ৮২ ও ইমরুল ৭৮ রান করে ফেরেন। এরপর শেষের দিকে এসে মাহমুদুল ৭৪ ও জাকির হাসান ৫৭ রান করেন। মাহমুদুল দিনশেষেও অপরাজিত ছিলেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

দক্ষিণাঞ্চল—উত্তরাঞ্চল

উত্তরাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৮৩.৪ ওভারে ২৯৩/১০ (আরিফুল ৯৮, জিয়াউর ৬৯, জুনায়েদ ৪৪, মিজানুর ২৯, ফরহাদ হোসেন ২৪; রাজ্জাক ৭/৬৯)।

দক্ষিণাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৬ ওভারে ২১/১

পূর্বাঞ্চল—মধ্যাঞ্চল

পূর্বাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৮২.১ ওভারে ৩৮০/৮ (মুমিনুল ৮২, ইমরুল ৭৮, মাহমুদুল ব্যাটিং ৭৪, জাকির ৫৭, ইয়াসির ৩৯, নাঈম ৩২; আবু হায়দার ২/৬৯, তাসকিন ২/৭৮, মোশাররফ ২/৮৪, মোসাদ্দেক ২/৯৭)।