স্পোর্টস ডেস্ক
কাল থেকে শুরু হতে দ্বিতীয় টেস্টকে সামনে রেখে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় ছাড়া কিছুই ভাবছে না স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এই টেস্ট জিতলেই টানা চতুর্থ সিরিজ জয়ের অনন্য রেকর্ড গড়বে ব্ল্যাক ক্যাপরা।
প্রথমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও গত সপ্তাহে ওয়েলিংটনে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস এবং কুসল মেন্ডিজের রেকর্ড জুটিতে ম্যাচ ড্র করে শ্রীলঙ্কা। এগিয়ে থাকার পরও ড্র মেনে নেওয়ায় খানিকটা হতাশ স্বাগতিক শিবির।
সবুজ উইকেটে শুরু হতে যাওয়া বক্সিং ডে টেস্টের আগে শ্রীলঙ্কা দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নিরোশান ডিকওয়েলা বলেন, ‘প্রথম ম্যাচ থেকে এ টেস্টের জন্য আমরা অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। এখানে কিছুটা মুভমেন্ট পেলে আমাদের বোলাররা কাজটা ভালোভাবে করতে পারবে এবং কোথায় বল করতে হবে তারা সেটা জানে। উপমহাদেশের ন্যায় এখানে ফুলার লেন্থে বল করা যাবে না।’
বিশ্ব র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে ওঠার সম্ভাবনা নিয়ে লঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ শুরু করে নিউজিল্যান্ড। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে উভয় ম্যাচে জয় পেলে র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে যেত স্বাগতিকরা। তবে, ওয়েলিংটনের ড্রয়ের পর সেটা আর হচ্ছে না।
চলতি বছরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় করেছে নিউজিল্যান্ড। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একমাত্র ইনিংসে ৫৭৮ রান করা মানে এক নাগাড়ে চতুর্থ সিরিজ জয়ে চোখ তাদের।
দলের ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান বলেন, ‘নিজ মাঠের রেকর্ড নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত এবং আমি মনে করি এটাই এখন একটি চ্যালেঞ্জ। এই একটি টেস্ট এবং সিরিজ জয় দলটির জন্য অনেক কিছু।’
প্রথাগতভাবেই হেগলি ওভালের উইকেটে পেস এবং বাউন্স থাকবে। উভয় দলই বলছে টসে জিতে প্রথমে বোলিং করা গুরুত্বপূর্ণ । ওয়েলিংটনে প্রায় ১২ ঘন্টা ক্রিজে থেকে ২৬৪ রানে অপরাজিত থাকা নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং নায়ক টম লাথাম মনে করছেন, ওভালের পিচে বোলারদের ভিন্ন কিছু চিন্তা করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবেই এখানে কিছুটা পেস ও বাউন্স থাকবে এবং সিমারদের সহায়ক হবে। সুতরাং, শ্রীলঙ্কার ন্যায় আমাদেরও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কন্ডিশনের মানিয়ে নিতে হবে।’
হেগলি ওভালে সর্বশেষ ২০১৪ সালে বক্সিং ডে টেস্টে মুখোমুখি হয়েছি নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। সে ম্যাচে সফরকারীরা টস জিতে আগে বোলিং করে আট উইকেটে জয় পেয়েছিল।
