/ সত্যজিত্ বিশ্বাস
বাংলাদেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম
১ম বন্ধু :পেঁয়াজের পর এবার সোনা?
২য় বন্ধু :ইস্যু, ইস্যু প্রতি ইস্যু, বাদ যাবে না কোনো ইস্যু।
১ম বন্ধু :করোনা ভাইরাসের সাথে সোনার দাম বাড়ার সম্পর্ক কী?
২য় বন্ধু :দুটোই সমান সংক্রামক, প্রাণঘাতী।
১ম বন্ধু :ঘটনা কী? বাংলাদেশের ইতিহাসে সোনার দাম সর্বোচ্চ হলো কেন?
২য় বন্ধু :দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনি (বিমান বন্দর) থেকে আশানুরূপ চালান আসছে না বলে!
ব্যালেন্স বাণী
* একটা পাখি কিংবা বিমান ডানায় ভর দিয়ে সারা পৃথিবী চক্কর দিয়ে আসতে পারে। ব্যাপারটা ব্যালেন্সের।
* সাইকেল চালানো থেকে সাঁতার, এখানেও সেই ব্যালেন্স। ব্যালেন্স হারালেই দুর্ঘটনা।
* সংসার সুখের হয় কার গুণে? উত্তর :ব্যালেন্সের গুনে।
* দুই পাহাড়ের মাঝখানে একটা দড়ি বেঁধে দিয়ে তার উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়াও সম্ভব। তবে ব্যালেন্স হারালে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
মোরাল অব দ্য স্টোরি কী?
কখনো ব্যালেন্স হারাবেন না। অন্তত ব্যাংক ব্যালেন্স তো নয়ই।
গলাটা খুব সুন্দর না?
এক গানপাগল যুবক তার ফোরটুয়েন্টি বন্ধুকে নিয়ে গেছে এক গানের অনুষ্ঠানে।
গানপাগল যুবক :কি রে দোস্ত, কেমন লাগছে গায়িকার গান?
ফোরটুয়েন্টি বন্ধু :ভালোই।
গানপাগল যুবক :মেয়েটার গলাটা খুব সুন্দর না?
ফোরটুয়েন্টি বন্ধু (সামনে উঁকি দিয়ে) :গলার কোন সাইডটা বল তো!
কথোপকথন
দুই ডায়াবেটিস রোগী কথা বলছে।
১ম জন :নাহ, এর চেয়ে বাজে রোগ আর হয় না।
২য় জন :কেন?
১ম জন :কেন মানে? চল্লিশ বছরেই মনে হচ্ছে আশি বছরে দাঁড়িয়ে আছি। হাঁটতে যন্ত্রণা, খেতে যন্ত্রণা, ঘুমাতে যন্ত্রণা।
২য় জন :আমার তো ষাট বছরে এসে ঠিক উল্টো মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে একেবারে বাচ্চা বয়সে ফিরে গেছি।
১ম জন :সে কেমন?
২য় জন :মাথায় চুল নেই, মুখে দাঁত নেই। এইমাত্র হিসুও করে ফেললাম প্যান্টে।
ওখানে গিয়ে কী করব?
প্রেমিক :ওগো, চলো না বইমেলায় যাই?
প্রেমিকা :ওখানে গিয়ে কী করব?
জীবন বাঁচানো বই
প্রেমিকা :জানু, তোমার লেখা গল্পের বইটা আমার জীবন বাঁচিয়ে রেখেছে।
প্রেমিক :যাহ, কি যে বলো!
প্রেমিকা :সত্যি। কাল রাতে এত্ত বড়ো একটা তেলাপোকা মেরেছি ওটা দিয়ে।
লেখকও আছে
সম্পাদক সাহেব :আপনার বানানের অবস্থা তো ভয়াবহ। পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠাতেই এতো বানান ভুল?
লেখক :তাতে কী? আপনাদের প্রুফ রিডার নেই?
সম্পাদক সাহেব :এক কাজ করুন, কী বিষয়ে লিখতে চান সেটা বলে যান, লিখতে হবে না।
লেখক :কেন, লিখতে হবে না কেন?
সম্পাদক সাহেব :শুধু প্রুফ রিডার না, আমাদের লেখকও আছে।
গুগল আছে তো!
ইন্টারভিউ বোর্ডের কর্মকর্তা :ইংরেজিতে নিজের সম্পর্কে পাঁচ লাইন লিখতে পারছেন না। চাকরি করবেন কী করে?
ইন্টারভিউদাতা :কোনো অসুবিধা হবে না স্যার। আমি কম্পিউটারে কাজ করব। ওখানে গুগুল আছে তো।
লেখালিখি
জজ বন্ধু :কি রে, এতো মোটা বই লিখলি, টাকাপয়সা কেমন পেলি?
নব্য লেখক বন্ধু :আরে ধুর, উল্টো টাকা দিয়ে বই ছাপিয়েছি।
জজ বন্ধু :বলিস কী? আমি তো এক লাইন লিখেই দশ হাজার পাই।
বইমেলা কুইজ
কোন বুকটা বইমেলায় সবচেয়ে বেশি চলে?
উত্তর :ফেসবুক।
ডায়াবেটিস রোগীবান্ধব মেলা
১ম বন্ধু :এবারের বইমেলার বড় বৈশিষ্ট্য কী বল তো?
২য় বন্ধু :কী?
১ম বন্ধু :ডায়াবেটিস রোগীবান্ধব মেলা।
বইয়ের না, চায়ের স্টলে
১ম বন্ধু :কি রে, তোদের স্টলে কাটতি কেমন?
২য় বন্ধু :প্রচুর। এক ঘণ্টা পর পর স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে।
১ম বন্ধু :বলিস কী? তবে যে শুনলাম, এবার বইমেলায় নাকি বই বিক্রি কম হচ্ছে।
২য় বন্ধু :ইয়ে... আমি তো, বইমেলার চায়ের স্টলে আছি।
বইয়ের ব্যবহার
প্রেমিক :এবার তোমার জন্মদিনে যদি একটা বই গিফট করি, কেমন খুশি হবে?
প্রেমিকা :খুবই খুশি হবো। বই তো শুধু পড়ার জন্যই নয়, আরো কত যে কাজে লাগে।
প্রেমিক :তার মানে?
প্রেমিকা :ধরো বইটা যদি মোটাসোটা হয়, ওটা দিয়ে হাতুরির কাজ করব। যদি পাতলা, বড়-সড় হয় টেবিল ক্লথ/জুতার সেলফের নীচে দেবো, আর যদি ছোট চিকনচাকন হয়, গ্যাসের চুলা ধরানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে।
