থমকে আছে ধোপাদীঘির সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪৬

হুমায়ূন রশিদ চৌধূরী, সিলেট অফিস

সিলেট নগরীর ‘ধোপাদীঘি’র সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধোপাদীঘির চারপাশ ছিল দীর্ঘকাল বেদখল। পরে পুকুরের চারদিকে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গার্ডওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করে সিলেট সিটি করপোরেশন। এরপরই আটকে যায় প্রকল্পের কাজ। ফলে আবারও আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে ধোপাদীঘি। 

প্রকল্প সূত্রে জানায়, ‘ধোপাদীঘি এরিয়া ফর ব্যাটার ইনভারনমেন্ট অ্যান্ড বিউটিফিকেশন’ নামে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে। এতে ব্যয় ধরা হয় ২১ কোটি ৮৫ লক্ষ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। প্রকল্পের মাধ্যমে দীঘির চারদিকে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, বসার জন্য বেঞ্চ, শিশুদের জন্য রাইড, দীঘিতে নামার জন্য দুটি ঘাট নির্মাণ করা হবে। দীঘির নোংরা পানিকে পরিষ্কার করা হবে। তবে এখানে রেস্তোরাঁ স্থাপনে পরিবেশবিদদের আপত্তি রয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, প্রকল্পের টাকা পেতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সীমানা সংক্রান্ত জটিলতাও রয়েছে। সব মিলিয়ে মূল কাজ শুরু করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে শীঘ্রই এসব সমস্যা কাটিয়ে দীঘির সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হবে। এদিকে, ২০১৮ সালের ২৩ এপ্রিল সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল শাখা থেকে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা ও নকশা প্রকাশ করা হয়। সিটি কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে দীঘিটির মধ্যে পানির চারিধার আছে ৩ দশমিক ৪১ একর। দীঘির দখলকৃত জায়গা উদ্ধারের পর প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীঘির পানির চারিধার বৃদ্ধি পেয়ে কমপক্ষে ৩ দশমিক ৭৫ একরে উন্নীত হবে। দীঘির একপাশে সিটি করপোরেশন বহুতল মার্কেট নির্মাণের জন্য সাইনবোর্ড টানিয়েছে।