রয়টার্স
দুই কানাডিয়ান নাগরিককে আটক করার বিষয়ে দেশটি উদ্বেগ প্রকাশের সমালোচনা করেছে চীন। এজন্য চীন যুক্তরাজ্য ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) বিরুদ্ধে ভণ্ডামিরও অভিযোগ করেছে। এ বিষয়ে সোমবার চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কানাডায় চীনের এক জ্যেষ্ঠ নির্বাহীকে আটকের বিষয়ে যুক্তরাজ্য ও ইইউ’র দ্বৈত আচরণ প্রত্যাশিত নয়।
এদিকে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিসিয়া ফ্রিল্যান্ড শনিবার বলেছেন, আটক দুই কানাডিয়ানকে মুক্ত চীনের ওপর চাপ অব্যাহত আছে। এ বিষয়ে কানাডার মিত্রদের কাছে সমর্থন চাইতে উচ্চ পর্যায়ের প্রচারণা বজায় থাকবে। এর প্রতিক্রিয়ায় চীন বলেছে যে, এর ফলে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশংকা রয়েছে। ফ্রিল্যান্ডের এ প্রতিক্রিয়ার একদিন পরই কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র একাত্মতা প্রকাশ করে বেইজিংয়ের প্রতি কানাডার দুই নাগরিক মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানায়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে এক চীনা জ্যেষ্ঠ নির্বাহীকে আটক করে কানাডা। এ পদক্ষেপ বিষয়ে কানাডাকে সমর্থন করে যুক্তরাজ্য ও ইইউ।
এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনাইয় বলেন, কানাডায় চীনা নাগরিককে আটকের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যদের মন্তব্যে ‘চরম অসন্তুষ্ট ও দৃঢ় বিরোধিতা’ প্রকাশ করেছে বেইজিং। চীনের বিচারিক সার্বভৌমত্বকে আন্তরিকভাবে সম্মান জানাতে আমরা এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দেশগুলোকে অনুরোধ করছি। এ বিষয়ে যুক্তরাজ্য ও ইইউ’র সমর্থন ‘সত্যিই বিস্ময়কর’। তাদের তথাকথিত মানবাধিকার এক এক দেশের নাগরিকদের জন্য এক একরকম। কানাডা ও তার সহযোগীদের দিয়ে তৈরি করা এ দ্বন্দ্ব চীনের সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টায় কাজ করবে না।
