তিস্তার ভাঙনে হুমকিতে ফসলি জমি

আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৫৩

গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা

গঙ্গাচড়ায় কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে শুষ্ক মৌসুমেও তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি। উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের বিনবিনা এলাকায় রবি মৌসুমে আবাদকৃত আলু ও তামাক খেত নদীতে বিলীন হচ্ছে। এতে কৃষকরা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নুরুজ্জামান, ছাদেকুল, আব্দুল হাইয়ের আলু খেত কিছুদিন আগে নদীতে বিলীন হয়েছে। তাছাড়া হামিদের এক বিঘা, সামছুলের এক বিঘা, আলামিনের ১১ শতক তামাক খেত এরই মধ্যে তিস্তায় ভেঙে গেছে। এ সময় নুরুজ্জামান বলেন, তার ১৭ শতক জমির আলু খেত নদীতে চলে গেছে। ভাঙন হুমকির মুখে আছে আব্দুল হাকিম, ওহেদুল ও শফিকুলের আলু ও তামাক খেত। তাছাড়া ইউনিয়নের গোডাউনের হাট এলাকায় গফুর, মেহের, লায়নসহ ২০ পরিবারের বাড়িঘর ভাঙন হুমকির মুখে রয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুন্নবী বলেন, ঐ জায়গায় পানির গভীরতা বেশি হওয়ার কারণে প্রতি দিন ভাঙছে। কোলকোন্দ ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু বলেন, শুষ্ক মৌসুমেও তিস্তার ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এখন তামাক ও আলু খেত ভেঙে যাচ্ছে। শুষ্ক মৌসুমে ভাঙনরোধে কাজ না করলে আগামী বন্যায় বিনবিনা ও গোডাউনের হাট এলাকায় বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাকারিয়া বলেন, ভাঙনরোধে আগাম কাজ করার জন্য নোটশিট পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলে কাজ করা হবে।