আবুল কাসেম ফজলুল হক
ইউনেস্কোর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে কেন্দ্র করে যেসব কথা ক্রমাগত প্রচার করা হচ্ছে, তাতে আমাদের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মূল চেতনা তলিয়ে যাচ্ছে। এতে রাষ্ট্রভাষারূপে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা ব্যাহত হচ্ছে এবং আমাদের জাতি ও রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সমাজের উচ্চ ও উচ্চমধ্য শ্রেণিতে যেসব প্রবণতা দেখা যাচ্ছে তা থেকে আমাদের বোঝা দরকার যে, রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠিত না হলে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ রক্ষা পাবে না। দেশ থাকবে রাষ্ট্র থাকবে না।
বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলকে দেশের জনগণের প্রতি আস্থাশীল বলে মনে হয় না। দুই দলের নেতারাই ক্ষমতার বাইরে থাকাকালে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সাহায্য চাইতে বৃহত্ শক্তিবর্গের স্থানীয় দূতাবাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দিষ্ট ডেস্কে এবং জাতিসংঘের হেড অফিসে সাহায্যের জন্য ছোটাছুটি করেন। গণতন্ত্রের জন্য দেশের জনশক্তিকে তারা হিসাবে ধরেন না। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। চলমান রাজনীতিও জাতি ও রাষ্ট্রগঠনের প্রতিকূল। সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলো রাজনীতিকে উন্নত করার জন্য যেসব কথা বলছে এবং যেসব কাজ করছে তাতে রাজনীতি খারাপ থেকে অধিকতর খারাপের দিকে যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে ১৯৮০-র দশকের শুরু থেকেই বাংলাদেশ নিঃরাজনীতিকৃত হয়ে চলছে। সামাজিক অবক্ষয় বাড়ছে এবং মানুষের নিরাপত্তা কমছে। সামাজিক অবিচার, বৈষম্য, অসামাজিক কার্যকলাপ ও জুলুম-জবরদস্তি বাড়ছে। উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে কিছু লোক ফার্মের গরু, ফার্মের মুরগির মতো মোটাতাজা হচ্ছে। সংস্কৃতি ত্যাগ করে তারা অপসংস্কৃতি অবলম্বন করেছে। দেশের সাধারণ মানুষ ঘুমন্ত। যে অবস্থা চলছে, তাতে যারা রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে এবং রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষাকে রক্ষা করতে ও বিকশিত করতে চান, তাদের মধ্যে দরকার নবচেতনা এবং চিন্তা ও কর্মের নতুন ধারা।
প্রথমেই বলতে চাই, বাংলাদেশে বাংলা ভাষার সাঁওতাল গারো চাকমা রাখাইন প্রভৃতি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীসমূহের ভাষার আরবি ফারসি সংস্কৃত পালি প্রভৃতি ধর্মীয় ভাষার এবং হিন্দি উর্দু ইংরেজি ফরাসি জার্মান রুশ চীনা জাপানি প্রভৃতি প্রয়োজনীয় বিদেশি ভাষার ব্যবহার কীভাবে কোথায় কতখানি করতে হবে এবং এসব ভাষা শেখার ও প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অনুবাদের কী ব্যবস্থা বাংলাদেশে করা সমীচীন, সে সম্পর্কে একটি জাতীয় ভাষানীতি অবলম্বন করা দরকার। বাংলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে জাতীয় ভাষানীতি অপরিহার্য। ভাষানীতিতে মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯৮ ভাগেরও বেশি লোকের ভাষা বাংলাকে যথোচিত গুরুত্ব দিতে হবে। এসব ভাষার কোনোটিকে কি রাষ্ট্রভাষা করা যাবে? রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পঁয়তাল্লিশটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক-সাংস্কৃতিক উন্নতির জন্য এবং রাষ্ট্রীয় ধারায় একাত্ম হওয়ার ও মানবজাতির মূল ধারায় আসার জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সরকার ভাষানীতি প্রণয়নের কাজে না এগোলে, কোনো রাজনৈতিক দলও এ কাজে না এগোলে, দেশের বিবেকবান চিন্তাশীল ব্যক্তিরা এগোতে পারেন। চেষ্টা চালিয়ে গেলে জনমত গঠিত হবে এবং কোনো না কোনো সরকার তা গ্রহণ করবে। তারাও যদি এ কাজে না এগোন, তাহলে সংবিধানে যা-ই লেখা থাক, বাংলাদেশে বাংলা ভাষা রাষ্ট্রভাষারূপে অস্তিমান থাকবে না—কেবল মাতৃভাষারূপে থাকবে। রাষ্ট্রও গড়ে উঠবে না। বিলীয়মান মাতৃভাষাগুলোকে রক্ষা করার তত্পরতার মধ্যে রাষ্ট্রভাষা বাংলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলছে। বিলীয়মান মাতৃভাষাগুলোকে কি উন্নত করা যাচ্ছে?
বাংলা উন্নত ভাষা। যে কোনো পর্যায়ের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যচর্চার জন্য এ ভাষা উপযোগী। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাংলা ভাষা বিকাশমান আছে। বাংলাকে নিতান্ত মাতৃভাষা কিংবা বিলীয়মান ভাষা মনে করা ভুল। সংবিধান অনুযায়ী বাংলা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। বাংলা ভাষা বাদ দিয়ে অন্য কোনো ভাষা নিয়ে আমাদের রাষ্ট্রভাষার প্রয়োজন মিটবে না। বাংলা বাদ দিয়ে এগোতে থাকলে, আমার মনে হয়, অস্তিত্বের প্রয়োজনে দুই দশকের মধ্যেই আবার আমাদের বাংলায় ফিরে আসতে হবে। এর মধ্যে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রয়োজনে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান আহরণের ও সৃষ্টিশীলতার জন্য ইংরেজি এবং আরো কোনো কোনো ভাষা আমাদের অবশ্যই ভালোভাবে শিখতে হবে। পশ্চিমের প্রগতিশীল মহান জ্ঞান-বিজ্ঞানকে আমাদের গ্রহণ করতে হবে। প্রতিযোগিতার পৃথিবীতে, আমাদের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্বের ও উন্নতির প্রয়োজনে, ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষার মাধ্যমে জ্ঞান-বিজ্ঞানে ক্রমাগত সমৃদ্ধ হয়ে বাংলা ভাষা ও বাঙালিত্বকে আমাদের সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করতে হবে। সাম্রাজ্যবাদী মহলের চাপিয়ে দেওয়া সবকিছুকে আমাদের পরিহার করে চলতে হবে। আমগাছকে যেমন কোনো চেষ্টা দ্বারাই কাঁঠালগাছ বানানো যায় না, তেমনি বাঙালিসন্তানকে কোনো চেষ্টা দ্বারাই আমেরিকান কিংবা ইংরেজ বানানো যাবে না। তবে বাঙালি হিসেবে, আত্মশক্তির ওপর নির্ভর করে বাইরের জগত্ থেকে ভালো নানা কিছু গ্রহণ করে, আমাদের আরো উন্নত বাঙালি হওয়ার সম্ভাবনা অফুরন্ত। আমরা এমন অবস্থায় উত্তীর্ণ হতে পারি যে, দুনিয়া আমাদের দিকে কৌতূহল নিয়ে তাকাবে এবং আমাদের অনুসরণ করবে।
এটাও লক্ষ করার বিষয় যে, কিছুকাল যাবত্ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি প্রভৃতি রাষ্ট্রে অশ্বেতাঙ্গদের প্রতি বিরূপ মনোভাব প্রবল হচ্ছে। শ্বেতকায়দের রাষ্ট্রে অশ্বেতাঙ্গদের স্থান দিতে চাইছে না। এমন অবস্থাও হতে পারে যে বাংলাদেশ থেকে লোক যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে গিয়ে নাগরিকত্ব নিতে পারবে না।
আমাদের চরম দুর্ভাগ্য এই যে, গত চার দশকের মধ্যে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা, তাদের অনুগামী বৃদ্ধিজীবীরা, এনজিওপতিরা এবং সিভিল সোসাইটি অরগানাইজেশনগুলোর বিশিষ্ট নাগরিকেরা দেশব্যাপী আমাদের মনে এ ধারণা বদ্ধমূল করে দিয়েছেন যে—জাতীয় জীবনে বৃহত্ শক্তিবর্গের ও বিশ্বব্যাংকের দ্বারা পরিচালিত হওয়া আমাদের অনিবার্য নিয়তি, আত্মশক্তি আমাদের সামান্যই আছে, স্বাধীনভাবে কিছুই আমরা করতে পারি না, পারব না। কার্যক্ষেত্রে আমরা বিদেশিদের তৈরি করে দেওয়া পথে তাদের উদ্দেশ্য সাধনের যন্ত্র হয়ে চলছি এবং ভাবছি—এ ছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই। এই হীনম্মন্যতাবোধ থেকে জাতিকে মুক্ত হতে হবে। জাতীয় জীবনে আমাদের আত্মশক্তির সাধনা ও সংগ্রাম দরকার।
রাষ্ট্র, রাষ্ট্রভাষা, রাজনৈতিক আদর্শ, রাজনৈতিক দল ও রাজনীতি নিয়ে আমাদের নতুন চেতনা, নতুন চিন্তাধারা ও নতুন কর্মধারা দরকার। এসব ব্যাপারে আমরা আত্মঘাতী পথে চলছি।
রাষ্ট্র ব্যক্তিবিশেষের কিংবা গোষ্ঠীবিশেষের সম্পত্তি নয়। আর রাষ্ট্র ও সরকার অবশ্যই এক নয়। রাষ্ট্র গঠিত হয় ভৌগোলিকভাবে সন্নিহিত সুনির্দিষ্ট ভূভাগ, সেই ভূভাগের জনগণ, সেই জনগণের সরকার এবং আন্তঃরাষ্ট্রিক সম্পর্কের বেলায় সেই জনগণের নিজেদের ও নিজেদের ভূভাগের ব্যাপারের সার্বভৌমত্ব (Sovereignty/Ultimate power/self-reliance) নিয়ে। জনগণকে হতে হয় নিজেদের রাষ্ট্রগঠনে অভিলাষী। রাষ্ট্রকে বুঝতে হবে, এই চারটি গঠনকর উপাদানকে তাদের পারস্পরিক সম্পর্কসহ একসঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে। রাষ্ট্রের জন্য এগুলোর কোনোটাই কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তা ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্রের সরকার গঠিত হয় রাজনৈতিক দল নিয়ে। এ অবস্থায় রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের আর একটি গঠনকর উপাদান। রাষ্ট্রের গঠনকর পূর্বোক্ত উপাদানগুলোর মতোই এটিও গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য।
দেশ ও রাষ্ট্র এক নয়—দেশ প্রকৃতির সৃষ্টি, রাষ্ট্র মানুষের। রাষ্ট্র গঠনের জন্য দেশ দরকার হয় কিন্তু দেশই রাষ্ট্র নয়। দেশের এবং রাষ্ট্রেরও সীমা নির্ধারিত হয় সাধারণত পাহাড় পর্বত, সমুদ্র মরুভূমি ইত্যাদি দুর্লঙ্ঘ্য প্রাকৃতিক জিনিসের দ্বারা। তবে এতে অনেক ব্যতিক্রম আছে। আধুনিক রাষ্ট্র সৃষ্টির পেছনে কাজ করে জনজীবনের চাহিদা। সরকার হলো রাষ্ট্রের গঠনকর উপাদানসমূহের মাত্র একটি। সরকারকেই রাষ্ট্র মনে করা হলে এবং রাষ্ট্রের অন্য উপাদানগুলোকে অস্বীকার করা হলে রাষ্ট্রীয় সব ব্যাপারে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।
রাজনীতি কী? বাংলাদেশে ১৯৮০-র দশক থেকে রাজনীতিক দলগুলো যা করছে তা কি রাজনীতি? সিভিল সোসাইটি অরগানাইজেশনগুলো রাজনীতির উন্নতির জন্য যেসব কথা বলছে, তাতে কি রাজনীতি আছে? বাংলাদেশ কি নিঃরাজনীতিকৃত হয়ে যায়নি?
রাজনীতি হলো রাষ্ট্র, সরকার, রাজনৈতিক দল ও সর্বসাধারণের আর্থসামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার আদর্শ কর্মসূচি, কর্মনীতি ও কার্যক্রম। রাজনীতির সঙ্গে রাষ্ট্রক্ষমতার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। রাষ্ট্রক্ষমতা হলো রাষ্ট্রে সরকারের মাধ্যমে জনসাধারণকে পরিচালনা করার ক্ষমতা। রাষ্ট্রকে রক্ষা করার দায়িত্বও সরকারকে পালন করতে হয়। ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত থাকে নেতৃত্বের প্রশ্ন। নেতৃত্ব গঠিত হয় রাজনৈতিক দল দিয়ে। আধুনিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রক্ষমতা কোনো এক ব্যক্তির ব্যাপার নয়। সরকার অনেককে নিয়ে গঠিত হয়। হীন স্বার্থানেষীরা প্রবলভাবে ক্ষমতালিপ্সু কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরাচারী, কর্তৃত্ববাদী, স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থা কায়েম করে। সে ধরনের ব্যবস্থা গণবিরোধী, তা স্বাভাবিক নয়। জনগণের ওপর এনেসথেসিয়া প্রয়োগ করে জনসাধারণকে তারা অচেতন প্রচারমাধ্যম ও চাটুকারের মাধ্যমে অচেতন করে রাখে। তবে একসময় এনেসথেসিয়ার ক্রিয়া বন্ধ হয়, জনগণ বিস্ফোরণে ফেটে পড়ে। অবস্থাকে উন্নত করার প্রস্তুতি থাকলে গণ-অভ্যুথানের দ্বারা উন্নত অবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্র হতে পারে সর্বজনীন কল্যাণ সাধনের সর্ববৃহত্ অবলম্বন। রাষ্ট্রকে গোষ্ঠীবিশেষের বা শ্রেণিবিশেষের রাষ্ট্র না করে সর্বজনের উত্কৃষ্ট রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে পারলে তা দ্বারা সর্বসাধারণের যে কল্যাণ সাধন করা যাবে, তা আর কোনো কিছু দ্বারাই করা যাবে না। রাষ্ট্রে অপরাধীও থাকে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনগত ব্যবস্থা রাখতে হয়। সরকারের কারণে রাষ্ট্র গণবিরোধী হলে তা দ্বারা সর্বসাধারণের যে ক্ষতি হয়, তা-ও পার পেলে কিছু দ্বারাই হয় না।
বাংলাদেশে রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে জাতি গঠনের ব্যাপারটি কোনো মহলেরই মনোযোগ পাচ্ছে না। রাষ্ট্র গঠনেরও কোনো কার্যক্রম নেই। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের জীবন অন্ধকার থেকে গভীরতর অন্ধকারের দিকে চলছে। নিঃরাজনীতিকরণের অবসনের জন্য দরকার রাজনীতি-সচেতনতা ও রাজনীতিকীকরণ। অপরজনীতি নয়, দরকার রাজনীতি। এর জন্য অনেক কিছু করতে হবে, অনেক দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হবে। অপাতত আমার বক্তব্য, একুশে ফেব্রুয়ারিকে উদ্যাপন করতে হবে ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ রূপে। রাষ্ট্রভাষা দিবস উদ্যাপনের মধ্য দিয়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের এবং রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নবচেতনা সৃষ্টি করতে হবে।
গতানুগতি নয়, চাই প্রগতি।
লেখক :প্রগতিশীল চিন্তাবিদ, প্রাক্তন অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
