মাসে অন্তত একটি হলেও বই পড়ুন

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৩৩

আমরা দিনে দিনে কেমন জানি হয়ে যাচ্ছি, চিন্তা-ভাবনাগুলোও ভালোভাবে করতে পারছি না। এটা খুব কঠিন একটা কাজ Think without thinking। একটা চিন্তা করতে গেলে পাশ থেকে হাজারটা চিন্তা ঘিরে ধরে। ফলে আমাদের মূল ভাবনার জগত্ থেকে আমরা ছিটকে পড়ি সহজেই। মানসিক সুস্থ থেকেও হয়ে যাচ্ছি মানসিক রুগী। দয়া-মায়া, প্রেম-ভালোবাসা সবই আমরা বিসজর্ন দিতে বসেছি। মনুষ্যত্ব বিষয়টা তো  এখন নেই বললেই চলে। আর অসুস্থ সব আইডিয়া আমাদের মস্তিষ্ককে করে দিচ্ছে ক্রমশ আনপ্রোডিক্টিভ। আমাদের মাথাটা একই চিন্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চলে; কারণ প্রতিদিনের কাজগুলো ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত হয়। নতুন বই পড়ার মাধ্যমে আমরা নতুন আইডিয়া এবং নতুন নতুন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে পারি। কিন্তু কেন যেন আমাদের এই সমাজ বইয়ের প্রতি বিমুখ। এর ফল আমরা এখনো অনেক দিক থেকেই পিছিয়ে আছি অনেক জাতি থেকে। ডা. লুত্ফর রহমানের বইতে পড়েছিলাম, ‘যদি একটি জাতিকে অবদমিত করতে চাও, তবে তাদের সকল সাহিত্য এবং বই ধ্বংস করে দাও।’ সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার যে উপযোগিতা এটা বইয়ের থেকে ভালো আর কেউ আমাদের বোঝাতে পারবে না। মস্তিষ্কের ধুলা-ময়লা দূর করতে বই পড়ার বিকল্প নেই। তাই সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারী হতে এবং ভালো ভালো আইডিয়া দিয়ে সমাজ বদলাতে বই পড়তে হবে এবং অন্যকে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাসায় ছোটোদের বিশেষ দিনগুলোতে উপহার হিসেবে বই দিন। প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে যদি না পারেন তাহলে অন্তত ১ মাসে ১টি বই পড়ার চেষ্টা করুন।

স্বাধীন আহমেদ

শিক্ষার্থী, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্সুরেন্স,

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়