পাওনা টাকা চাওয়ায় জীবন যায় ঝন্টুর

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৯

খিলক্ষেত থানার নিকুঞ্জ-২ এলাকায় জুতার কাজ করা ঝন্টু ঋষি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটিত হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছে মামলার প্রধান আসামি হুমায়ুন কবির। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম রবিবার নিকুঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ডিবি তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। তবে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জুনায়েদ আলম সরকার বলেন, ঝন্টু ঋষি খিলক্ষেত এলাকার একটি বাসায় বসবাস করতেন। আর নিকুঞ্জ-২ এর ১৪ নম্বর রাস্তার পাশে জুতা সেলাইয়ের কাজ করতেন। মৃত ঝন্টু ঋষির বড়ো ভাই সুমন্ত ঋষি গত পাঁচ ফেব্রুয়ারি খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ৩০ জানুয়ারি থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে যেকোনো সময় দুষ্কৃতকারীরা তার ভাইকে হত্যা করেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়ুন জানায়, সে নিকুঞ্জ-২ এর পশ্চিম মাথায় গত তিন বছর যাবত বসবাস করে। ঢাকায় এসে সে নিকুঞ্জ কল্যাণ সমিতিতে সাড়ে ৬ হাজার টাকায় নাইট গার্ডের চাকরি করত।  তা ছেড়ে রিকশা চালানো শুরু করে। সেই সময়ে ঝন্টু ঋষির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সেই সূত্রে ঘটনার মাসখানেক পূর্বে সে ঝন্টু ঋষির কাছ হতে ১০ হাজার টাকা ধার নেয়। ঘটনার ২/১ দিন পূর্বে ঝন্টু পাওনা টাকা চাইলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং সে আরো কয়েকদিন সময় চায়। ঘটনার দিন হুমায়ুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঝন্টুর বাসায় গিয়ে আবারও ২/৪ দিন সময় দিতে বলে। ঝন্টু হুমায়ুন কবিরের কথায় কর্ণপাত না করে তাকে চলে যেতে বলে এবং ঘুমিয়ে পড়ে। ঝন্টু ঋষি ঘুমিয়ে পড়লে হুমায়ুন তার ঘর থেকে একটা দড়ি দিয়ে ঝন্টুর পা বেঁধে অপর একটি দড়ি দিয়ে গলায় প্যাঁচ দিয়ে তাকে হত্যা করে।