ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিক্ষোভ ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। মৌজপুর, ব্রহ্মপুরী, ভজনপুরা চক, গোকুলপুরীসহ বিভিন্ন এলাকায় চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ। রাজধানী দিল্লিতে সহিংসতার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছে দুই শতাধিক। সেনাবাহিনী নামানো হবে না বলে জানিয়েছে সরকার। খবর এনডিটিভি ও ইন্ডিয়া টাইমসের
গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আহতদের মধ্যে ৫৬ জন পুলিশকর্মী রয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। মৌজপুরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সাংবাদিক। গোকুলপুরীর বাজারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুড়ে গেছে বহু দোকান।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আইনের পক্ষে-বিপক্ষের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে ভজনপুরা চক। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বহু দোকান। ভজনপুরা, চাঁদবাগ ও কারাওয়ালনগরের রাস্তায় লাঠি ও রড হাতে দেখা যায় বহু মানুষকে। দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানকার বাজারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে দায়িত্ব পালন করে পুলিশ।
রবি ও সোমবারের পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লির ব্রহ্মপুরী এলাকা। সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে পাথরবৃষ্টি শুরু হয়। মুখ ঢেকে পাথর ছুড়তে দেখা যায় কয়েক জনকে। আগুন লাগানো হয় দুটি গাড়িতে। অশান্তির আশঙ্কায় বন্ধ করা হয় পাঁচটি মেট্রো স্টেশন। ঐ এলাকায় ১৪৪ ধারাও জারি হয়। দিল্লির আরো ১০ জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। মঙ্গলবার পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিল্লির সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় প্রশাসন।
