পিএসসির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন

আরো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পিএসসির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:৪০

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) প্রতি সাধারণ মানুষ যাতে আস্থা স্থাপন করতে পারে তার জন্য এ প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে পিএসসি সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সংস্থার একটি প্রতিনিধিদল গতকাল তাদের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৯ রাষ্ট্রপতির নিকট হস্তান্তর করতে গেলে তিনি আরো বলেন, ‘সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পিএসসির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। সাক্ষাত্ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদিন এ তথ্য জানান। খবর বাসসের। সাক্ষাত্কালে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিকের নেতৃত্বে আসা প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতিকে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিকসহ কমিশনের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি ক্যাটাগরীর কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠানে সরকারের নির্দেশনার উল্লেখ করে বলা হয়, এরই মধ্যে কমিশন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো, অবকাঠামো ও জনশক্তিসহ একটি প্রস্তাব প্রেরণ করেছে। সাক্ষাত্কালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, পিএসসির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাত্ শেষে পিএসসির চেয়ারম্যান ইত্তেফাককে জানান, পিএসসি মেধাবীদের জন্য ভরসার জায়গা। এখানে প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষা অনেক প্রতিযোগিতামূলক। প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিটি ধাপ অতিক্রম করে সর্বশেষ একজন প্রার্থী চাকরি পেয়ে থাকেন। কাজেই পিএসসির মাধ্যমে যেই নিয়োগ পাক না কেন তাকে তার সর্বোচ্চ মেধার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে আসতে হয়। রাষ্ট্রপতিকে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রতি সময়ে নিয়মিতভাবে বিসিএস নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হচ্ছে। ৩৪তম বিসিএস থেকে ক্যাডার নিয়োগের পাশাপাশি নন ক্যাডার নিয়োগের জন্য সুপারিশ করছে। ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা হতে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রায় সবাই চাকরির জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আগে যেখানে বিসিএস হতে শুধু ১ম শ্রেণির শূন্য পদে সুপারিশ করা হতো এখন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২য় শ্রেণির শূন্য পদের জন্যও সুপারিশ করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে কোটা শিথিল করা হচ্ছে।