‘পি কে হালদার ও তার নেওয়া টাকা দেশে ফেরত আনা সম্ভব’

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:০৮

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, এমডি এম নুরুল আলম, পরিচালক পি কে হালদারসহ ২০ জনের সব ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদকে ইন্টারন্যাশনালের লিজিংয়ের চেয়ারম্যান ও স্বাধীন পরিচালক হিসেবে নিয়োগের হাইকোর্টের আদেশ বহাল রয়েছে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ গতকাল বুধবার ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের আবেদন খারিজ করে এই আদেশ দেন।

আদেশের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম বলেন, গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী পি কে হালদার কানাডায় অবস্থান করছেন। উনি যে টাকাটা (প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি) দেশ থেকে বিদেশে পাচার করেছেন সেটা আনার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকেরও না, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়েরও না। যেহেতু উনি একটা অপরাধ করেছেন, এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। যে দেশে টাকা পাচার হয়েছে সে দেশের সঙ্গে মিউচুয়াল কো-অপারেশনে চুক্তি আছে কি না, সেটা দেখতে হবে। পত্রিকায় দেখেছি সে সম্ভবত টাকাটা কানাডায় নিয়ে গেছেন। কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের মিউচুয়াল কো-অপারেশন চুক্তি আছে। এ চুক্তির অধীনে সরকার যদি কানাডাকে জানায়, সে কানাডায় পাচার করা টাকা নিয়ে অবস্থান করছে। তাহলে ঐ চুক্তির আওতায় কানাডা সরকার সহযোগিতা করবে বলে আমার বিশ্বাস। সে অনুযায়ী টাকাটা নিয়ে আসতে হবে। এ জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিরাট ভূমিকা পালন করতে হবে। কানাডার সঙ্গে বন্দি প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তিও আছে। যদি পি কেসহ তাদের সহযোগীদের প্রচলিত আইনে শাস্তির ব্যবস্থা হয় তখন ঐ শাস্তি প্রয়োগ করার জন্য এক্সট্রাডিশন চুক্তির অধীনে তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা যাবে।