গাউসুর রহমান
আলোর অভিযানে নেমেছে অন্ধকারের যাত্রী
অন্ধকার কীভাবে আলোর সাথে মিশে যায়—
সে রসায়ন আমি জানি না;
কেউ আবার বলে নারী-পুরুষের আদিম
আঁধারের ব্যাপারটা নাকি গহন-গহিন।
এই পৃথিবীতে প্রথম যেদিন ভোর এসেছিলো
সেতো অনেক আগের গল্প—
সেই ভোরে নাকি শোনা গিয়েছিলো
সাগরকণ্ঠী পাখির গান,
নারী নাকি পাতাল খুঁড়ে আলোর সিঁড়ি
বেয়ে ওপরে উঠেছিলো।
বিশুদ্ধ হাওয়ায় হাওয়ায় একাকার সব,
নীল আকাশ আর ধুলো-মাটি সমান সুন্দর ছিলো।
জলের কলরোলে মায়াবিনীর ছায়ার পরিভাষা আমি জানি না
ছায়ার মায়ায় নতুন সময়ের গল্প আমি শুনিনি,
নতুন সময়ে এখন যন্ত্রগিরি জ্বলে,
ভোরের শিশির এখন দুপুরের সূর্যে।
জলদেবীর যাত্রা নাকি সুধার মরুভূমিতে
মায়ামৃগ, মরুভূমি-মরীচিকা
আর সময়ের খাঁচায়
মানুষের স্বপ্ন-আশার কতকিছু সাঁতরায়।
মানুষের কতকিছু যে বন্দি হয়ে আছে—
বসন্তের জ্যোত্স্নায় এখন উজ্জীবিত মৃত ব্যাবিলন;
ক্লেদে-ক্লান্তিতে খুদ খাওয়ার মতো
অণু-পরমাণু খায় অচেনা এক ড্রাগন।
