শেয়ারবাজারে টানা দরপতন হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই এমন অবস্থা চলছে। মাঝে মাঝে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বা শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের খবরে চাঙ্গা হয়ে ওঠে বাজার। তবে সে অবস্থা বেশি দিন টেকসই হয় না। গতকালও শেয়ারবাজারে বড়ো দরপতন হয়েছে। খারাপ অবস্থায় থাকা শেয়ারবাজার ভালো করতে গত মাসে প্রধানমন্ত্রী ছয়টি নির্দেশনা দেন। আর চলতি মাসের ১০ তারিখ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ তহবিল গঠনের সুযোগ দেওয়া হয়। এর আগে অর্থমন্ত্রী নির্দেশ দেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো যাতে বেশি বেশি শেয়ার কেনে। তবে এসব নির্দেশনার কোনোটিই পালিত না হওয়ার কারণেই শেয়ারবাজারে দরপতন হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
ডিএসই ও সিএসইর তথ্য মতে, গতকাল দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক কমেছে ৬৮ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে ১৯৯ পয়েন্ট। সূচকের পাশাপাশি কমেছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ও লেনদেন। এর ফলে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ছয় কার্যদিবস দরপতন হলো। এ ছয় কর্মদিবসে ডিএসইতে ২৭৮ পয়েন্ট কমেছে।
গতকাল ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬১ কোটি ৪১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৬২৯ কোটি ৬৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৫০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। সিএসইতে গতকাল লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৫৪টির, কমেছে ১৬২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২৪টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
