মমতা যতই বিরোধিতা করুন, পশ্চিমবঙ্গে সিএএ হবেই

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২০, ২২:৩২

মমতা ব্যানার্জির তৃণমূল কংগ্রেস যতই বিরোধিতা করুক, পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সিএএ জারি করা কোনো মতেই আটকানো যাবে না। বিজেপিকেও আটকানো যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ ২০২১ সালে আমরা ক্ষমতায় আসবই। রবিবার কলকাতায় সিএএ আইন পাশ করা নিয়ে তাকে দেওয়া এক সংবর্ধনা সভায় এ কথা বললেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ। এদিন কলকাতার পথে নানা জায়গায় অমিত শাহর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, বিক্ষোভে শামিল হন সিপিএম, জাতীয় কংগ্রেস সমর্থকরা। কলকাতা বিমানবন্দরের বাইরে কালো বেলুন উড়িয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। পথে প্রতিবাদ দেখানো হয় রাস্তায় গো ব্যাক স্লোগান লিখে, কালো পতাকা দেখিয়ে।

সভায় অমিত শাহ বলেন, মমতা ব্যানার্জি ভারত সরকারের আইনের বিরোধিতা করেছেন। অথচ তিনি একদা এদের নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। আর এখন সন্তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। মুসলিম ভাই ও বোনদের বোঝানো হচ্ছে সিএএ হলে তাদের নাগরিকত্ব চলে যাবে। আমি আপনাদের বলছি, কারো নাগরিকত্ব যাবে না। এ আইন নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য। কারো নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে যে সব হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন পার্সি ধর্মাবলম্বীরা নির্যাতিত হয়ে ভারতে এসেছেন, তাদের এ আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সিএএ, এনআরসি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, সিপিএম, কংগ্রেস এক সঙ্গে বিরোধিতা করছে। মমতাকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, এসব শরণার্থীকে কেন আপন মনে হয় না আপনার? কেন শুধু অনুপ্রবেশকারীদেরই আপনার আপন বলে মনে হয়? মমতা আমাদের রুখতে পারবেন না। সত্তর বছর ধরে সমস্যায় থাকা এসব মানুষকে আমরা নাগরিকত্ব দিয়েই ছাড়ব।

এর পরই অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে এখানকার কোনো ভূমিপুত্রকেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। রামমন্দিরের জন্য ৫০০ বছর ধরে আমরা অপেক্ষা করছি। কথা দিচ্ছি কয়েক মাসের মধ্যেই রামমন্দির তৈরি করা হবে।