সম্প্রতি গুলশানের শান্তা স্কাই মার্কের সিটি আলো প্রাঙ্গনে ‘মেধা, আমিও পারি’র শুভ সূচনা ঘোষণা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সৃজনশীল শিল্প অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সূচনা অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয় মেধা ও সিটি আলোর যৌথ উদ্যোগে।
মেধা একটি সৃজনশীল উদ্যোগ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান; যা ভবিষ্যতে ফাউন্ডেশন হিসাবে দেশ ও বিদেশে সংযোগ স্থাপন করবে বলে জানা গেছে। সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বিদেশে বিশেষভাবে পরিচিত। জন হকিংস ২০০১ সালে এই ক্রিয়েটিভ ইকোনমির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এবং এর কার্যক্রম শুরু করেন। ক্রিয়েটিভ ইকোনমি কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এই প্রতিভা সব মানুষের ভেতরেই থাকে। তবে চর্চার পাশাপাশি এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় সহযোগিতা ও পরিবেশ।
ক্রিয়েটিভ ইকোনমির সাথে প্রতিটি দেশের সংস্কৃতিই ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে বিজ্ঞাপন, বিপণন, স্থাপত্যকলা, কারুশিল্প সহ যে কোনো ধরনের ডিজাইন, ফ্যাশন, ফিল্ম, টিভি, ভিডিও, রেডিও, ফটোগ্রাফি, আইটি, সফটওয়্যার, পাবলিকেশন, গান, নাচ, কবিতা, আবৃত্তি, মিউজিয়াম, পর্যটন, গেমস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, টেক্সটাইল, ইন্টিরিয়র ইত্যাদি।
মেধার প্রতিষ্ঠাতা ফ্যাশন ডিজাইনার এমদাদ হক এই আয়োজন প্রসঙ্গে বলেন, ‘মেধা একটি সৃজনশীল উদ্যেগ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে আমি ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ-এর সহসভাপতি। দীর্ঘদিন ব্রিটিশ কাউন্সিলের সঙ্গে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি নিয়ে কাজ করছি। বাংলাদেশের শিল্পাঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সহযোগী হয়ে ফ্যাশন ব্যক্তিত্ব হিসেবে যোগদান করেছি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন আলোচনায়। আমার মূল বক্তব্য ছিল ক্রিয়েটিভ ইকোনমির পর্যালোচনা। সেই অভিজ্ঞতাই ‘মেধা’র আত্মপ্রকাশের চালিকাশক্তি হয়েছে। মেধার প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম বিস্তৃত থাকবে সারাদেশে। যে কোনো ক্ষেত্রের সম্ভাবনাময় মেধাবীরাই হবে মেধার প্রাণ। মেধা তাদের পাশে থাকবে, তাদের শখকে জাগিয়ে তুলবে ধীরে ধীরে; তাদের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে পাশে থাকবে অভিভাবক হিসাবে। সহায়তা করবে তাদের শখনির্ভর পেশায়। বৃহত্তর বাজারে প্রবেশে তাদের পথপ্রদর্শক হবে মেধা।’
