‘এসএমই খাতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদ বাস্তবায়নের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে’
ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামীকাল বুধবার থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে ৯ দিনব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের তৈরি এসএমই পণ্যের মেলা। দেশের বিভিন্ন এলাকার ২৯৬টি এসএমই উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান এ প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। আগামীকাল মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল সোমবার রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে মেলা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের মেলায় দুই তৃতীয়াংশই নারী উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। মেলায় কোনো বিদেশি পণ্য প্রদর্শন কিংবা বিক্রি হবে না। শিল্পমন্ত্রী বলেন, মেলায় বিষয়ভিত্তিক পাঁচটি সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়েছে। চলতি বছর এসএমই ফাউন্ডেশন দেশের ৮টি বিভাগের ৩১টি জেলায় এসএমই ফাউন্ডেশন এসএমই পণ্য মেলার আয়োজন করেছে। আগামী অর্থবছরে অবশিষ্ট জেলাগুলোতে আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলার আয়োজন করা হবে। ২০১২ সাল থেকে সরকার এসএমই পণ্য মেলার আয়োজন করে আসছে।
সরকার আগামী ২০২৪ সাল নাগাদ জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩২ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। তবে এসএমই উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রাপ্তি, বিশেষত সিঙ্গেল ডিজেট সুদের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্র সীমিত। আগামী এপ্রিল থেকে সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার কার্যকর হলেও তাতে এসএমই খাতের জন্য এ সুযোগ না রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল হালিম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরসহ এ বিষয়ে একটি সভায় হয়েছে। এসএমই খাত যাতে এ সুবিধা পায়, তা সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে মাইক্রো উদ্যোক্তাদের ঋণের তদারকি অন্যভাবে করতে হবে। প্রসঙ্গত, কেবল ক্রেডিট কার্ড বাদে সব খাতে সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার বাস্তবায়নের জন্য গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ব্যাংক মালিকরা এসএমই খাতকে এ সুবিধার বাইরে রাখার জন্য তদবির-চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে এসএমই ফাউন্ডেশনের এমডি মো. সফিকুর রহমান, ডিএমডি শাহীন আনোয়ার, এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি হাসিনা নেওয়াজ, এসএমই উদ্যোক্তা রাশেদুল মুন্না প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
