আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এ সফর ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় আরো অগ্রগতি হবে। কাজেই সম্পর্ক যখন আছে, এই সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে, শক্তিশালী হবে। এটিই আমরা আশা করি।’
এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, নরেন্দ্র মোদিকে প্রতিহতের ঘোষণায় সরকার বিব্রত নয়। তবে যারা এটা করছেন, ঠিক করছেন না। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে মোদিকে স্বাগত জানানো তাদের উচিত। মুজিববর্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর চূড়ান্ত করতে গতকাল হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশে এসেছেন। আগামী ১৭ মার্চ ঢাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের বলেন, নরেন্দ্র মোদির সফরে নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বাংলাদেশের জনগণ অতিথির সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এনআরসি সমস্যা সমাধানের কোনো আশ্বাস পাওয়া গেল কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, আসার আগেই সমাধানের আশ্বাস—এটাতো ভারতের পররাষ্ট্র সচিব এরই মধ্যে নতুন কিছু বলেছেন। তিনি তো কিছু বাদ রাখেননি, সব কথাই বলেছেন। তিনি আসছেন মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে। সম্মানিত অতিথি হিসেবে আমাদের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান মিত্র ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনে যোগ দিচ্ছেন। একই সঙ্গে ১৮ তারিখ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আছে। সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী টু প্রধানমন্ত্রী আলোচনা হওয়ার সুযোগ রয়েছে। ঐ পর্যায়ে যে আলোচনা হবে সেটা এখন আর করার প্রয়োজন নেই। আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি।
ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, দিল্লির সাম্প্রতিক সহিংসতা পূর্বপরিকল্পিত। এটির তদন্ত চলছে। বর্তমান সরকার ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য সহানুভূতিশীল।
