কক্সবাজারের টেকনাফে র্যাব ও বিজিবির সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে আট রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। সোমবার টেকনাফের জাদিমোড়া পাহাড়ে কুখ্যাত ডাকাতদল জকি গ্রুপের সঙ্গে র?্যাবের বন্দুকযুদ্ধে সাত রোহিঙ্গা ডাকাত এবং জাদিমোড়া নাফ নদীর সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ইয়াবা কারবারিদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে একজন কারবারি নিহত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৫ সিটিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব ও বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়নের কর্নেল ফয়সাল হাসান খান।
র্যাব-১৫ সিটিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব তিনি বলেন, সোমবার ভোরে জাদিমোড়া পাহাড়ে কুখ্যাত ডাকাত জকি ও তার দল অবস্থান করছে খবর পেয়ে তিনিসহ র্যাবের একটি দল ঐ পাহাড়ে অভিযান চালান। এ সময় পাহাড় থেকে র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ডাকাতদল। র্যাবও আত্মরক্ষার্থে পালটা গুলি চালায়। এ সময় ডাকাত দলের সঙ্গে তাদের প্রায় ৭০-৮০ রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এতে সাত রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে সাতটি এলজি, তিনটি ৯ মি.মি. পিস্তল, ১২ রাউন্ড পিস্তলের কার্তুজ ও ১৩ রাউন্ড এলজির কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে জাদিমোড়া ক্যাম্পের নূর হোসেন (২৫) ও মোহাম্মদ ফারুক (২৬) এবং শালবাগান ক্যাম্পের মো. ইমরান (২৩) ও মোহাম্মদ আলী হোসেনের (২৫) নাম পাওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পৃথক আইনে মামলা হচ্ছে।
অপরদিকে, টেকনাফে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে। সোমবার ভোররাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া জাদিখাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দেড় লাখ ইয়াবা, একটি দেশি বন্দুক ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল আলম (৩০) মিয়ানমার মংডু এলাকার জাফর আলমের ছেলে।
