মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ
ক্যাম্পাসের এখানে-সেখানে দলবেঁধে আবর্জনা কুড়াচ্ছে কিছু ছেলেমেয়ে। ওরা টোকাই নয়। নয় পরিচ্ছন্নতাকর্মীও। ওরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী। সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতায় কাজ করছেন তারা। শিক্ষকদের দিকনির্দেশনায় বিভাগের প্রায় ১৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন এ কার্যক্রমে। আর এজন্য বেছে নিয়েছেন অধিবর্ষের ব্যতিক্রমী দিন ২৯ ফেব্রুয়ারিকে। বেলা ১২টার দিকে প্রধান ফটক সংলগ্ন মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের সামনে পরিচ্ছন্নতার কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমরা হয়তো সারাদেশ পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নিতে পারব না। কিন্তু চাইলে আমাদের ১৭৫ একরের এই ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারি। পরিচ্ছন্নতায় শিক্ষার্থীদের এই চিন্তা ও উদ্যোগ প্রশংসনীয় ও আশা জাগানিয়া।’ উদ্বোধনকালে তার সঙ্গে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা। তারা ঝাড়ু হাতে নিয়ে আবর্জনা পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন।
মোট ১২টি দলে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে শিক্ষার্থীরা। তাদের দিকনির্দেশনা দেন বিভাগের প্রভাষক বিপুল রয়, ইফফাত আরা, ইনজামুল হক ও আনিসুল কবির। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পর্কে বিভাগের শিক্ষকরা জানান, ক্যাম্পাসের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগ। এর অংশ হিসেবেই এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান করেছেন তারা। এ অভিযানে পাওয়া আবর্জনার মধ্য থেকে প্লাস্টিক, পলিথিনসহ যে পণ্যগুলো পুনঃব্যবহার করা যায় সেগুলোকে ব্যবহার করা হবে এবং বাকিগুলো পুড়িয়ে বা অন্য কোনোভাবে ধ্বংস করা হবে।
