গাজীপুরের শ্রীপুরের সাতখামাইর রেলক্রসিংয়ের অবস্থা যাচ্ছেতাই! একপাশে একটি ভাঙা ব্যারিকেড আছে আর অপরপাশ নেই বললেই চলে! দু দিন আগে রাতে ট্রেন আসছে দেখে কতগুলো গাড়ির সঙ্গে আমরা ইচ্ছে করেই দাঁড়িয়ে পড়লাম। এ সময় অনেকেই মোটরসাইকেল, সাইকেল ও পায়ে হেঁটেই পার হলো রেলক্রসিং! বিস্ময়করভাবে কেউ কেউ দাঁড়িয়ে রইল দুই লাইনের মাঝখানেই! বিক্রেতারা তো আছেই। এর মধ্যেই দেখলাম একটি শিশু দৌড়ে পার হয়ে গেল! শ্রীপুর একটি আদর্শ উপজেলা হলেও কিছু কিছু অনিয়ম রয়ে গেছে। তার মধ্যে অরক্ষিত রেলক্রসিং একটি। ছোট বাহন নিয়ে পার হতে গেলে যে কোনো সময় স্লিপ কেটে পড়ে গিয়ে বড়ো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সাতখামাইর রেলক্রসিংয়ের মাঝখানে ক্রসিং করার রাস্তাটুকুও বেশ খারাপ। পুরো রাস্তা ভালো হলেও রেলক্রসিংয়ের রাস্তাটুকু কেন ভালো করা হয়নি তার দায় যেন নেই কারো। কাওরাইদ রেলক্রসিংয়ে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যরিকেড নেই! ট্রেন আসার সময় একজন লাইট ধরে দাঁড়িয়ে থাকে আর তখন ট্রেন চলে যায় দ্রুত! ঐদিন রাতে এই রেলক্রসিংয়ে দেখা গেল রাস্তার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলো আস্তে আস্তে এগুচ্ছে। আর এপারের গাড়িগুলো ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে রেলক্রসিংয়ের। সাতখামাইর, কাওরাইদ ও ইজ্জতপুরসহ শ্রীপুরের সবগুলো রেলক্রসিং সুন্দরভাবে প্রতিস্থাপন করা হোক। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ, স্কুলের যানবাহনের চলাচলের জন্য অনিরাপদ হয়ে উঠেছে এ মৃত্যু ফাঁদগুলো! আশা করি এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।
সাঈদ চৌধুরী, শ্রীপুর, গাজীপুর
