বেগমগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রাকিব হত্যা মামলার আসামি নিহত

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২০, ০০:২০

গতকাল মঙ্গলবার ভোরে বেগমগঞ্জ উপজেলাধীন আমানউল্যাপুর জনকল্যাণ মাঠে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছাত্রলীগ নেতা রাকিব হত্যা মামলার আসামি শিবির ক্যাডার নজরুল ইসলাম (কানা নজরুল) মারা গেছে। সে শিবিরের ক্যাডার বাহিনী পিয়াস গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড। এ সময় বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ছয় পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। নিহত কানা নজরুলের বিরুদ্ধে রাকিব হত্যা ছাড়াও আরো তিনটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে শিবির ক্যাডারদের ব্রাশফায়ারে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা রাকিব নিহত হন।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ চৌধুরী জানান, ভোর ৪টার দিকে থানা ও ডিবি পুলিশ যৌথ টহল দেওয়ার সময় জনকল্যাণ মাঠে পৌঁছলে শিবির ক্যাডার পিয়াস গ্রুপের সদস্যরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর গুলি ছোড়ে। পুলিশও পালটা গুলি ছুড়লে অভিরামপুর গ্রামের আবদুল হাকিমের ছেলে নজরুল ইসলাম (কানা নজরুল) নিহত হয়। এ সময় ক্যাডার বাহিনীর ফেলে যাওয়া দুইটি এলজি, একটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ছোরা, পাঁচটি কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। গোলাগুলি চলার সময় পুলিশের এসআই মোস্তাক আহমেদ, এএসআই শহীদুল ইসলাম, কনস্টেবল সুব্রত ভট্রাচার্য, আনন্দ মজুমদার, রিয়েল দাস ও নজরুল ইসলাম আহত হন।

রবিবার রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলায় ছাত্র শিবিরের ব্রাশফায়ারে ছাত্রলীগ কর্মী রাকিবুল ইসলাম (২৫) আহত হন। সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত রাকিব উপজেলার আমানউল্যাপুর গ্রামের পাটোয়ারি বাড়ির সাফিউল্লার ছেলে। সে ঐ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের আরো আট জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে পুলিশ শিবিরের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। নিহত রাকিবের মা বাদী হয়ে ২৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। ঐ মামলার অন্যতম আসামি ছিল কানা নজরুল।