যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) অর্থপাচার সংক্রান্ত প্রতিবেদন সরকারকে দেয় না উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তাদের কাজ হলো এ সমস্ত তথ্য বের করা, বিশ্লেষণ করা। তাদের যদি কোনো বক্তব্য থাকে তাহলে সেটি সরকারকে জানাবে, কিন্তু সেটি তারা করে না। গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে ইআরডি সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জিএফআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ পাচারে বিশ্বের শীর্ষ ৩০ দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে আন্ডার ইনভয়েসিং ও ওভার ইনভয়েসিং (মূল্য কম বা বেশি দেখানো) এর মাধ্যমে বছরে গড়ে ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল ১৩৫টি দেশের তালিকা এবারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, তারা এ তথ্য কোথায় পেয়েছে যেহেতু বিষয়টি জানি না, তাই কিছু বলব না। অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, অপরাধ থাকলে আমরা মামলা করি। পরে দুদক ও সরকারের অন্য তদন্ত সংস্থা ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের জানান, ক্রয় কমিটিতে মোট ৫টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
