গত নভেম্বরে ভারত সফরে দুটি টেস্ট খেলেছেন। বিপিএলে পারফর্ম করায় পাকিস্তান সফরের টি-২০ সিরিজেও নির্বাচকদের বিবেচনায় ছিলেন ইমরুল কায়েস। কিন্তু হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে মিস করেছেন পাকিস্তান সফর। জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই বাঁহাতি ওপেনার এখন বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত।
শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে খেলবেন তিনি। জাতীয় দলে না থাকায় গতকাল অপমানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হলো ইমরুলকে। মিরপুর স্টেডিয়ামের কিউরেটর গামিনি ডি সিলভার নির্দেশে রীতিমতো ইনডোরের নেট থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছে তাকে। তখন ইনডোরের উইকেটে ব্যাটিং করছিলেন এ বাঁহাতি।
গতকাল সকালে ইনডোরে বোলিং মেশিনে ব্যাটিং করেন ইমরুল। তারপর ইনডোরের ঘাসের উইকেটে সোহরাওয়ার্দী শুভকে নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন। মিনিট ১৫ যেতেই গামিনি এসে নেট ছাড়তে বলেন ইমরুলকে। কারণ ইনডোরের উইকেট নাকি জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য। এখানে অনুমতি ছাড়া ব্যাটিং করা যাবে না। অথচ জাতীয় দল এখন সিলেটে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে।
কয়েক মাস আগেই বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা ইমরুল অপমান হজম করে বের হয়ে যান। ইনডোর ত্যাগের আগে লঙ্কান এই কিউরেটরের সঙ্গে মিনিট পাঁচেক কথাও বলেছেন তিনি। দূর থেকেই বোঝা গেছে, সেই আলাপে ইমরুলের কণ্ঠে ক্ষোভ ঝরেছে। ঘটনার পর এ বিষয়ে জানতে চাইলে, কোনো কিছু না বলেই চলে যান বাঁহাতি এ ওপেনার।
ইনডোর ছাড়ার আগে গতকাল ইমরুলের সঙ্গে কী হয়েছে জানতে চাইলে গামিনি বলেছেন, ‘অ্যাই ডোন্ট নো, আস্ক হিম।’ আর কোনো প্রশ্নের সুযোগ না দিয়েই ফিরে যান এ লঙ্কান।
২০০৮ সালে বিসিবিতে যোগ দিয়েছিলেন গামিনি। বিসিবিতে ১২ বছরের অধ্যায়ে তার প্রতি ক্রিকেটারদের অভিযোগের অন্ত নেই। গতকাল তিক্ততার মুখোমুখি হলেন ইমরুল। যদিও বিসিবির এক পরিচালকের আশীর্বাদে বারবারই গামিনির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ নবায়ন করে চলেছে বিসিবি।
