বেনাপোল চেকপোস্টে পাসপোর্ট যাত্রীদের ভোগান্তি

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২০, ২১:৪৭

ব্যাংকে ভ্রমণকর আদায়ের রসিদ বই শেষ

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা

বেনাপোলে সোনালী ব্যাংকের শাখা কার্যালয়ে ভ্রমণকর রসিদ বই না থাকার কারণে শনিবার সকাল থেকে এ চেকপোস্ট দিয়ে ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে।

বেনাপোল সোনালী ব্যাংক থেকে অন্য সময়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিকে ভ্রমণকর সংগ্রহে সমস্যা না হলেও বর্তমানে ব্যাংকে ভ্রমণকর রসিদ বই না থাকার কারণে বিপাকে পড়েছে পাসপোর্ট যাত্রীরা। সারারাত বাস বা ট্রেনে ভ্রমণ করে আসার পর ক্লান্ত শরীরে বেনাপোল চেকপোস্টে ভ্রমণকর সংগ্রহের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগী ও শিশু যাত্রীরা। কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে ফিরেও যাচ্ছেন।

ভারত ভ্রমণে যাওয়া সমর বাবুল সাহা নামে এক পাসপোর্ট যাত্রী বলেন, তিনি সকাল ৮টার সময় বেনাপোল চেকপোস্টে এসে পৌঁছেছেন। লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্রমণকর সংগ্রহ করতে তার দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে। ব্যাংকের বুথে ভ্রমণকর রসিদ বই  না থাকার কারণে হাতে লেখা টিআর চালানের মাধ্যমে ভ্রমণকর পরিশোধ করেছেন। এভাবে শতশত যাত্রী ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার পাসপোর্ট যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকে। এরমধ্যে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৪ হাজার যাত্রী বেনাপোল চেকপোস্ট সোনালী ব্যাংক থেকে ভ্রমণকর সংগ্রহ করে ভারতে গমন করে থাকেন। এখানে অনলাইনে ভ্রমণকর পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করা হলেও অধিকাংশ যাত্রীই বেনাপোল সোনালী ব্যাংক থেকেই ভ্রমণকর সংগ্রহ করে থাকেন।

এ ব্যাপারে বেনাপোল সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক এ আর এম রকিবুল হাসান জানান, অনলাইনে ভ্রমণকর সংগ্রহের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে আমাদের এখানে প্রিন্টার না থাকা ও অনলাইনে ম্যাসেজ দেখার কোনো ব্যবস্থা না থাকার কারণে যাত্রীরা অনলাইনে ভ্রমণকর পরিশোধ করার প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন না। তাছাড়া টিআর চালানের মাধ্যমে ভ্রমণকর নিতে সময় লাগছে অনেক। যার কারণে যাত্রীদের একটু অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আমরা ভ্রমণকর রসিদ বই সরবরাহের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ভ্রমণকর রসিদ বই আসলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।