সেরা নেতৃত্বের সম্মাননা পেলেন ইত্তেফাক প্রকাশকসহ ২৬ নারী

আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২০, ২২:৩৭

বিভিন্ন খাতে সফল নারীদের সম্মানিত করল দেশের স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল রবিবার রাজধানীর আইইউবি অডিটোরিয়ামে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আইনশৃঙ্খলা, খেলাধুলা, সাংবাদিকতা, ব্যবসায়, সেবা খাত, বহুজাতিক কোম্পানিসহ বিভিন্ন খাতে যেসব নারী তাদের নেতৃত্বের মাধ্যমে অসামান্য অবদান রেখে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন—এমন ২৬ নারীকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন—দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক ও কার্যনির্বাহী পরিচালক তারিন হোসেন, উইমেন এন্ট্রাপ্রেনিওর্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাবরিনা ইসলাম, কম্পিউটিং সার্ভিসের ফাউন্ডার নাদিয়া বিনতে আমিন, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেট এলিনা খান, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশের হেড অব লিগ্যাল অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স মুবিনা আসাফ, বিউটিফুল মাইন্ডের প্রতিষ্ঠাতা ড. শারমিন মতিন চৌধুরী, জোনটার সাবেক চেয়ারম্যান জেসমিন ফেরদৌস, এসিআই লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুস্মিতা আনিস, প্রোভা হেলথের সিইও সিলভানা কাদির সিনহা, টপ অব মাইন্ডের সিএফও সালমা আদিল, ইউনিলিভার বাংলাদেশের হেড অব পার্টনারশিপ অ্যান্ড কমিউনিকেশনস শামিমা আকতার, আইইউবির প্রফেসর নিয়াজ জামান, লেখিকা নূরজাহান বোস, অভিনেত্রী শর্মিলী আহম্মেদ, অভিনেত্রী তুহীন-আরা করিম, লেখিকা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভিন, নিউজ২৪ চানেলের উপস্থাপিকা সামিয়া রহমান, চিত্রশিল্পী কনকচাঁপা চাকমা, ফ্যাশন ডিজাইনার টুটলি রহমান, বিটপির সিইও সারা আলি, ডেইলি স্টারের সাংবাদিক দিলশাদ করিম এলিটা, টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনু, মাস্টারকার্ডের মার্কেটিং ডিরেক্টর জাকিয়া সুলতানা, কাজি আইটি সেন্টারের কান্ট্রি ডিরেক্টর জারা মাহবুব ও কোকা-কোলা বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ফারাহ শারমিন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মিলান পাগন ও প্রফেসর ইমতিয়াজ এ হুসাইন, ডিন, স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্স এবং পাঠাও সিইও হুসাইন এম ইলিয়াস।

প্রফেসর মিলান পাগন বলেন, নারী নেতৃত্বকে উত্সাহ দিতে হবে রাষ্ট্রকে, সমাজকে। আজ রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতিটি খাতে নারী নেতৃত্ব নিজেদের প্রমাণ করেছে। নারীর এই নেতৃত্বই আমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করবে উন্নয়নের ধারায়। পাঠাও এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত।

অনুষ্ঠানে পাঠাওয়ের সিইও হুসাইন এম ইলিয়াস বলেন, দেশ যখন মধ্যম আয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আমাদের সবার কর্তব্য। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর বাংলাদেশ আজ যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে সেটা সম্ভব হতো না নারীর অসামান্য নেতৃত্ব ছাড়া। এখানে খেলাধুলা, সাংবাদিকতা, আইনশৃঙ্খলা, দেশ রক্ষা—সব কাজে আমাদের নারীরা নিজেদের দক্ষতার পরিচয় রেখেছেন। নতুন প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন এই নারীরা। তাদেরকে সম্মানিত করতে পেরে পাঠাও গর্বিত।