টি-টোয়েন্টি সিরিজ

লিটনে শুরু সৌম্যে শেষ

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২০, ২১:৫০

স্পোর্টস রিপোর্টার

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিংটাকে চাইলে স্পষ্ট দুই ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগে অবশ্যই থাকবেন লিটন দাস, আর তামিম ইকবাল। দুই জনের ঝড়ো ওপেনিং জুটিই গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে বড়ো স্কোর গড়ার ভিত গড়ে দেয়।

আর সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে দারুণ এক ইতিটানেন সৌম্য সরকার। ফলাফল নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো ২০০ রানের স্কোর ছুঁয়ে ফেলে বাংলাদেশ। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল তিন উইকেট হারিয়ে ঠিক ২০০ রানই জমা করে বোর্ডে।

ওয়ানডের ফরমটা যেন টি-টোয়েন্টিতেও নিয়ে এলেন তামিম ও লিটন। ১০ ওভার দুই বল অবধি টিকল তাদের ওপেনিং জুটি। এর মধ্যে যোগ হলো ৯২ রান। টি-টোয়েন্টির ওপেনিং এটাই এখন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। অবশ্যই আগের সেরা জুটিতেও জড়িয়ে ছিল তামিম আর লিটনের নাম। ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফির ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোতে প্রথম উইকেটে এই দুই জন মিলে করেছিলেন ৭৪ রান।

তামিম ৩৩ বলে ৪১ রান করেন। ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। ওয়েসলি মাধেভেরের বলে তিনি শন উইলিয়ামসের ক্যাচ হয়ে সাজঘরে ফিরলেও লিটন পেয়ে যান ক্যারিয়ারের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হাফ সেঞ্চুরি। তিনি ৩৯ বলে করেন ৫৯ রান। ইনিংসটা সাজানো ছিল পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কায়।

এরপর অবশ্য লিটনের চেয়েও খুনে মেজাজে ব্যাট করেন সৌম্য সরকার। তিনি ৩২ বলে করেন ৬২ রান। ইনিংসে ছিল চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। টি-টোয়েন্টিতে এটা তার দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি।

পাঁচটি ছক্কার মধ্যে তিনটিই আসে ইনিংসের শেষ ওভারে। আর ২০ রানের সেই ওভার দিয়েই বাংলাদেশ পৌঁছে যায় ২০০র ঘরে।

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে মিলে সৌম্য যোগ করেন ৪০ রান। এর মধ্যে মুশফিক আট বল মোকাবিলা করে করেন ১৭ রান। আর চতুর্থ উইকেটের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাংলাদেশ পায় ৫৪ রান। সেটাও মাত্র চার ওভার এক বলে। এই জুটিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৯ বলে করেন ১৪ রান।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা এদিন মোট ১২টি ছক্কা হাঁকান। টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে এটাই বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের সর্বোচ্চ ছক্কার নজির। যদিও এই ‘সর্বোচ্চটা’ আগেও ছুঁয়েছিল বাংলাদেশ। সেটাও এসেছিল ২০১৮ সালের সেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচেই।