মির্জাপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে দাদা-নাতি ও বাবা-মেয়েসহ ছয় অটোরিকশা যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া সড়কে আরো তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার এসব দুর্ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর—
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): মাটিবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকার ও অটোরিকশার মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে দাদা-নাতি এবং বাবা-মেয়েসহ ছয় জন নিহত হয়েছেন। গতকাল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সংযোগ (আঞ্চলিক) রোড গোড়াই-সভীপুর-ঢাকা রোডের বেলতৈল বটতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই অটোরিকশা যাত্রী। তারা হলেন, মির্জাপুর উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কুড়াতলী গ্রামের হাফিজ উদ্দিন (৬০), তার কন্যা ও সিটমামুদপুর গ্রামের শরিফ মিয়ার স্ত্রী রুনা আক্তার (২৫), একই গ্রামের সোনাম উদ্দিন (৬২), তার নাতি এবং হাসেম আলীর পুত্র মাশরাফুল ইসলাম (১০), একই ইউনিয়নের ঘাগড়াই গ্রামের খলিল মিয়ার ছেলে সিএনজি চালিত অটোরিকশাচালক হূদয় হোসেন (২০) এবং একই গ্রামের জলিল মিয়া ওরফে পাখি মিয়ার পুত্র এবং ঘাগড়াই-কুড়াতলী আদর্শ কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক মো. জাকির হোসেন (৩৫)। আহত তিন জনকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই গ্রামে নিহতের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে।
সেনবাগ (নোয়াখালী): ফেনী-নোয়াখালী মহাসড়কে বিআরটিসি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ নাইম (১৮) নামে এক ছাত্র নিহত হয়েছেন। গতকাল সেনবাগ উপজেলার রাস্তার মাথার সন্নিকটে আজিজপুর পুলের গোড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নাইম দাগনভূঁইয়া ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং সেনবাগ উপজেলার ৮ নম্বর বীজবাগ ইউনিয়নের বালিয়াকান্দি গ্রামের নুরুল আমিন মানিকের ছেলে।
চান্দিনা ও বুড়িচং (কুমিল্লা): চান্দিনায় কাভার্ড ভ্যান চাপায় বারেক সরকার (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। গতকাল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঠেরপুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বারেক দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা গ্রামের বাসিন্দা।
পাবনা ও আটঘরিয়া: পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের জালালপুরে সবিজ প্রামাণিক (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। সজিব পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানাধীন পুষ্পড়া এলাকার বাসিন্দা।
রাউজান (চট্টগ্রাম): চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় যাত্রী আহত হয়েছেন। গতকাল রাউজান উপজেলার পৌর এলাকার জানালী হাট ব্রিজের পশ্চিম পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
