প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেছেন, উন্নত বিশ্বের ন্যায় আগামীতে আইটিশিল্পই হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। সেই বিষয়টি বিবেচনা করে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একইসঙ্গে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের আওতায় সিলেটের তরুণ-তরুণীদের আইটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা হবে। তিনি আরো বলেন, সিলেটের হাই-টেক পার্কে স্থানীয়সহ দেশ-বিদেশের আইটি উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।
গতকাল সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্কে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি, সিলেট জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম, শাবিপ্রবির উপচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এ এন এম সফিকুল ইসলাম, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মোস্তফা কামাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাই-টেক পার্ক সিলেটর প্রকল্প পরিচালক ব্যরিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্ব্বাবধানে সিলেটসহ দেশের প্রতিটি বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে একটি করে হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হবে। এরই আওতায় সিলেটের পার্কের কাজ চলমান। দেশের প্রায় ৬৫ ভাগ তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এসব হাই-টেক পার্কে।
