এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) অন্যদের অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের বিষয়ে হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে দুদক। বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের একক বেঞ্চে এ অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। দুদক কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান জানান, পিকে হালদারসহ অন্যদের অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। খুরশীদ আলম খান বলেন, পিকে হালদার সম্পর্কিত আরো পাঁচটি কোম্পানির ওপর অনুসন্ধান চলছে। এটি বাংলাদেশে ব্যক্তিখাতে সবচেয়ে বড়ো আর্থিক কেলেঙ্কারি।
দুদক কৌঁসুলি বলেন, পিকে হালদারের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ পাওয়া গেছে ২৭৫ কোটি টাকা। বিভিন্ন খাতে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের আরো তথ্য আসছে। মামলা যেভাবে তদন্ত হচ্ছে তাতে আমার মনে হচ্ছে তাদের অবৈধ সম্পদ ও অর্থ পাচারের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, আমরা এ ঘটনায় এজাহার, ব্যাংক হিসাব ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি আদালতের আদেশে জব্দ করেছি।
এদিকে নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডে ২০০৪ সালের পর থেকে দায়িত্ব পালনকারী সব পরিচালকের নামের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাদের নাম, ঠিকানাসহ তালিকা দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলার শুনানি নিয়ে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশিদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পিপলস লিজিংয়ের অবসায়ক হিসেবে নিযুক্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক মো. আসাদুজ্জামান খানের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মেজবাহুর রহমানকে আদালত এ নির্দেশ দেন।
