আয়োজনে মুন্সিয়ানা দেখাল বসুন্ধরা কিংস

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২০, ২১:৪০

স্পোর্টস রিপোর্টার

এক সময় ঢাকার ঘরোয়া ফুটবল আয়োজন করত ঢামফা। ফেডারেশন কাপ এবং আন্তর্জাতিক ফুটবল আয়োজন করত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে বাফুফের আয়োজনে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে যে আয় হতো তা নিয়ে সমালোচনা হতো সব সময়। গ্যালারি ভরা দর্শক থাকার পরও টিকিট থেকে আয় হতো তুলনামূলক কম।

টিকিট বিক্রি নিয়ে বাফুফে কখনোই সমালোচনা মুক্ত হতে পারেনি। ১৯৮৭ সালে ঢাকায় এশিয়ান  ক্লাব কাপ ফুটবল আয়োজনের সময় সমালোচনা মুক্ত থাকতে বাফুফে পুরো টুর্নামেন্টটির আয়োজনের ভার তুলে দিয়েছিল মোহামেডানকে।

সাংগঠনিকভাবে সেই প্রথম এশিয়ান ক্লাব কাপ ফুটবল আয়োজন করে আন্তর্জাতিক পরিসরে সাফল্য দেখায় মোহামেডান। সবার নজর কেড়েছিল তখনকার ঢাকা স্টেডিয়াম। সেই আয়োজন দেশের ফুটবলে অনেক দিন সুবাশ ছড়িয়েছিল।

মোহামেডানের পর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান ক্লাব কাপ ফুটবলের আসর হয়েছে একাধিকবার। দেশের প্রায় সব বড়ো দলই পালাক্রমে এএফসি কাপ ফুটবলে হোম ম্যাচ খেলেছে। এবারই প্রথম এএফসি কাপে খেলছে নতুন দল বসুন্ধরা কিংস এবং তারা হোম ম্যাচ আয়োজনে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে। অভূতপূর্ব ছিল এ আয়োজন।

 বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম জুড়ে ছিল লাল জার্সি। বসুন্ধরার সমর্থকরা জার্সি গায়ে বড়ো বড়ো ব্যানার নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছে। ডাগ আউটের টেন্ট দুটিকে এএফসির লোগো, বসুন্ধরার লোগো দিয়ে মোড়ানো হয়েছে, গ্যালারিতে ১৫টি খাবার স্টল, জায়ান্ট স্ক্রিনে ম্যাচের স্টপ ওয়াচ, অন্য পাশে আরো একটি জায়ান্ট স্ক্রিনে স্কোর বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের মাঠে দেখা যায় খেলা চলাকালীল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্যালারি মুখি পুলিশ দাঁড়িয়ে। মাঠের ফেন্সিংয়ের পাশে কয়েক গজ দূরে দূরে চারপাশে শতাধিক বিশেষ পোশাকে নিরাপত্তা দণ্ডায়মান কর্মীদের ছিল কড়ানজর। ফুটবলে এমন পরিবেশ অনেক দিন দেখা যায়নি। এএফসি কাপে নিজের ম্যাচ আয়োজন করে স্মরণীয় করো রাখল। এএফসি কাপে বসুন্ধরা কিংস গ্রুপ পর্বে আরো দুটি ম্যাচ খেলবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে।