সন্ধ্যা তো বটেই, এখন দিনের বেলাতেও মশার উত্পাতে অতিষ্ঠ ঢাকাবাসী। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশার উত্পাত শুরু হয়। মশার যন্ত্রণায় ছেলেমেয়েরা ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারে না। মশার কয়েল স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই নিরাপদ নয়। গরম ও শীত উভয় সময় মশা নিধনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না থাকায় মশা এখন বেপরোয়া। মশার ওষুধ স্প্রে করে, কয়েল কিংবা ধূপ জ্বালিয়েও রেহাই মিলছে না। আগে দেশব্যাপী পরিছন্নতা অভিযান চালানো হতো। বর্তমানে এ ধরনের কিছু চোখে না পড়ায় মশার বংশবৃদ্ধির সুযোগও অবারিত। মশার জন্মরোধের ব্যবস্থা মশার উপদ্রব নিবারণে সর্বোত্তম করণীয়।
দুটি সিটি করপোরেশন মশা নিধনের জন্য কীটনাশক ও কোটি কোটি টাকা ব্যয় করলেও নগরীর নালা-নর্দমা- ডোবায় মশার শূককীট নিধনে আশানুরূপ সফলতা আসেনি। তাছাড়া, ঢাকার রাস্তায় নর্দমাগুলোর ওপর ঢাকনা থাকায় মশার ওষুধ প্রবেশ করতে পারে না। ফলে ওষুধ ছিটানোর পরও মশা মরছে না। অন্যদিকে শূককীট (লার্ভা) মারার ওপর জোর না দেওয়ায় মশার উত্পাত বেড়েছে। এটা সত্য যে, ঢাকার উত্তর-দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনে মশা মারার জন্য যেমন ওষুধের অপর্যাপ্ততা রয়েছে, তেমনি রয়েছে জনবল স্বল্পতা। তাছাড়া এ কার্যক্রমে স্থবিরতা, সমন্বয়ের অভাব এবং যথাযথ গাইডলাইনের অভাবও নগরীতে মশার বংশ বিস্তারের অন্যতম কারণ। যে কারণই হোক না কেন, নগরবাসী মশার উত্পাত থেকে পরিত্রাণ চান।
মো. জিল্লুর রহমান, সতিশ সরকার রোড,
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
