করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২০, ২১:৫৫

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় জরুরি উচ্চঝুঁকিসম্পন্ন ২৫টি দেশে ৩৭ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তহবিল বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দেশে ইউএসএআইডির প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহের নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমকে প্রদান করছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বুধবার অর্থসহায়তা এবং এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মপরিকল্পনা জানাতে ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেন। বাংলাদেশে কভিড-১৯ মোকাবিলায় কীভাবে উভয় দেশের কার্যক্রম সমন্বয় করা যায় এবং কোন কোন খাতে ভবিষ্যতে অর্থ বরাদ্দ করা যায় সে বিষয়ে তারা আলোচনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে কভিড-১৯ মোকাবিলার প্রস্তুতি ও সাড়া প্রদানে ইউএসএআইডির মাধ্যমে দ্রুত সময়ে ২৫ লাখ ডলার প্রদান করেছে। ইউএসএআইডির এই অর্থায়ন তিনটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে ব্যবহূত হবে।

ইউএসএআইডি সুনির্দিষ্টভাবে কভিড-১৯ মোকাবিলায় দ্রুত রোগনির্ণয়, আক্রান্তের ব্যবস্থাপনা, আইপিসি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৭ লাখ ডলার প্রদান করছে। এছাড়া ইউএসএআইডি এফএইচআই৩৬০ কর্তৃক বাস্তবায়িত ইনফেকশাস ডিজিস ডিটেকশন অ্যান্ড সার্ভেইল্যান্স (আইডিডিএস) এবং ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেস ফর হেলথ (এমএসএইচ) কর্তৃক বাস্তবায়িত মেডিসিন, টেকনোলজিস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল সার্ভিসেস (এমটিএপিএস) কার্যক্রমের প্রতিটিকে ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার করে প্রদান করছে। এসব কার্যক্রম যথাক্রমে আইপিসি , নমুনা পরিবহন এবং যথাস্থানে প্রেরণ (রেফারেল) বিষয়ে কাজ করবে।

ইউএসএআইডি জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়কেও ৫ লাখ ডলার প্রদান করছে যার আওতায় বৃহত্তর পর্যায়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে উপকরণ প্রণয়ন ও বিতরণ করা হবে—যা বর্তমান সময়ে জরুরি।