বসুন্ধরা কিংসের আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হার্নেন বারকোসকে নিয়ে মোহামেডানের সাবেক তারকা স্ট্রাইকার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব বলেছেন, ‘অনেক দিন পর ঢাকায় ভালো একজন বিদেশি খেলোয়াড় দেখা গেল। কলিন্দ্রেস আরো ভালো খেলোয়াড়। তার ক্রস ছিল দেখার মতো। বারকোসার হলো স্কোরার। বল ফেলতে পারলেই বরকোস দুর্ধর্ষ। লিগের ম্যাচে প্রচুর গোল পাবে। আমাদের লোকাল ডিফেন্ডারদের উচ্চতা কম। কোনো বিদেশি ডিফেন্ডার থাকলে তাদের সঙ্গে বারকোসের কিছুটা সমস্যা হতে পারে। বারকোস দ্বিতীয় লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারে। বসুন্ধরার দুই উইং যেভাবে ক্রস করে সেই মানের স্ট্রাইকার নাই। বারকসো আসায় পূরণ হয়েছে। আমার মনে হয় আমিও এই ৫০ বছর বয়সে এখন গোল করতে পারব।
এএফসি কাপে বসুন্ধরা এবং মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের খেলা দেখে দারুণ খুশি নকিব। ঢাকার মাঠের এই সাবেক তারকা স্ট্রাইকার সালাহউদ্দিন, শেখ মো. আসলামের পর লিগের তৃতীয় শততম গোলদাতা। লিগে চার বার সর্বচ্চো গোলদাতা হয়েছিলেন। ১০৭ গোল আছে লিগে। এই স্ট্রাইকার বসুন্ধরার খেলা দেখে বললেন আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে খেলেছেন বারকোস, তার খেলা অন্য রকম হবে এটাই স্বাভাবিক।’
বসুন্ধরা তার খেলোয়াড়দের বোনাস দেবে। শোনা গেছে ১০ লাখ টাকার বোনাস দেয়া হবে। তবে লিগ চ্যাম্পিয়ন হলে আসল বোনাস দেয়া হবে। ৫-১ গোলের ম্যাচে চার গোল করেছেন বারকোস। এই ফুটবলার খেলবেন লিগের ফিরতি পর্বে। আর এএফসির পরবর্তী ম্যাচ ১৩ এপ্রিল। তাই বারকোসকে দু’তিন দিনের জন্য ছুটি দেয়া হতে পারে। বারকোস সিঙ্গাপুর কিংবা থাইল্যান্ড যাবেন ছুটি কাটাতে।
টিসি স্পোর্টসের তিন ফুটবলার যেতে পারেননি
ঢাকায় এএফসি কাপ খেলে মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসের খেলোয়াড়দের মালদ্বীপে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গতকাল মালদ্বীপের খেলায়াড়রা দেশে ফেরার প্লেনে উঠতে পারলেও আটকা পড়েছেন দলের তিন জন বিদেশি ফুটবলার। চার বিদেশির মধ্যে তিন জনের ভিসা ছিল না। এদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি এবং দুই জন মিশরের ফুটবলার। মালদ্বীপে ফিরে যেতে হলে শ্রীলঙ্কা হয়ে ফিরতে হয়। তিন ফুটবলারের শ্রীলঙ্কার ভিসা না থাকায় তাদেরকে প্লেনে উঠতে দেয়া হয়নি। বসুন্ধরার মিডিয়া ম্যানেজার আহমেদ শায়েক জানিয়েছেন তিন ফুটবলার হোটেলে ফিরেছেন। তিন জনের ভিসা ছিল না একজনের ভিসা ছিল সে ফিরে যেতে পেরেছে।’
