টেকনাফে ওপি নারিকেল চাষ জনপ্রিয় হচ্ছে

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২০, ২১:১৮

টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা

কক্সবাজারের টেকনাফে উন্নত জাতের ‘ওপি’ নারিকেল চাষের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এই প্রজাতির গাছে ফলন ভালো হওয়ায় লোকজন দিন দিন এ জাতের নারিকেল চাষের দিকে ঝুঁকছে। বাণিজ্যিকভাবে তা আবাদ করা হলে নারিকেল এবং ডাবের চাহিদা পূরণ হয়ে জেলার চাহিদাও মিটিয়ে অন্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় উপজেলার প্রায় ২ হাজার পরিবারের মধ্যে চারা বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, স্থানীয় জাতের নারিকেল গাছের চেয়ে এই জাতের চারা পাঁচ/ছয় বছর পূর্বেই ফলন দেয়। এবং সারা বছরই ফলন পাওয়া যায়। প্রতি গাছে ২০০ থেকে ২৫০টি নারিকেল ধরে। যা স্থানীয় জাতের চেয়ে চার/পাঁচগুণ বেশি। পর্যটন এলাকা হওয়ায় টেকনাফে ডাব ও নারিকেলের চাহিদা বেশি।

জানা যায়, টেকনাফের মাটি সাগর ও নাফনদী উপকূলী আবহাওয়ায় উর্বর ও দোয়াশ মাটিতে ‘ওপি’ জাতের নারিকেল চাষের জন্য বেশ উপযোগী। সারা বছরই এই জাতের নারিকেলগাছ চাষ করা গেলেও মার্চ থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত ওপি জাতের নারিকেল চারা রোপণের উপযুক্ত সময় এবং তিন বছরে ফলন দেয়।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোছাইন জানান, বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে টেকনাফের ২ হাজার পরিবারের মাঝে ওপি জাতের নারিকেল গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। এদিকে, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম বলেন, টেকনাফে নারিকেল এবং ডাবের চাহিদা বেশি। তাই ভিয়েতনামের প্রজাতির নারিকেল বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করা হলে এখানকার ডাবের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বেকারত্বের অংশ কিছুটা কমবে।