/ মো.ইউনুছ আলী
ঠাট্টায় লেখা পাঠানো শুরু করি ২০১৭ সালের প্রথমদিকে। লেখা পাঠাতাম বটে, কিন্তু নিয়ম না মেনেই। ফলে ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্ত ঠাট্টায় আমার কোনো লেখাই প্রকাশিত হয়নি! অবস্থা যখন এই, তখন কিছু পারিবারিক সমস্যা আমাকে লেখালেখির জগত্ থেকেই দূরে ঠেলে দেয় প্রায় বছরখানেক। অবশেষে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর আবার লেখালেখিতে ফিরে আসি। তারপর পুরোদমে শুরু করি লেখালেখি। তবে ২০১৯ সালটিও ঠাট্টায় আমার পথচলা সুখকর হয়নি। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমার লেখাশূন্য ঠাট্টা প্রকাশ হতে দেখি। তখন সপ্তাহের রবিবার এলেই গভীর আগ্রহ নিয়ে ঠাট্টা পড়তে শুরু করতাম এবং শেষে এক বুক হতাশা নিয়ে দিন পার করতাম। অবশেষে ২০২০ সালটি আমার জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দেয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ‘আমার কষ্ট’ শিরোনামে একটি ঠাট্টাছড়া প্রকাশের মধ্য দিয়েই ঠাট্টায় আমার রাজকীয় অভিষেক ঘটে! আহা কি আনন্দ!! চলতি মার্চ পর্যন্ত তিনটি ঠাট্টাছড়া প্রকাশিত হয়েছে ঠাট্টায়! আগে লেখা প্রকাশ না হলে বিভাগীয় সম্পাদক ভাইয়াকে দুষলেও এখন পুরো ব্যাপারটাই আমার নিকট পরিষ্কার। মানসম্মত লেখা অন্তত বাতিলের ঝুঁড়িতে নিক্ষিপ্ত হয় না—এটা আমার বিশ্বাস।
ঠাট্টার রাজকীয় পথচলার এক যুগ পূর্তিতে ঠাট্টার সাথে জড়িত সকলের নেক হায়াত ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। এগিয়ে চলো ঠাট্টা। তোমার পথচলা হোক আরো গতিশীল, আরো শানিত। ধন্যবাদ সকলকে।
কামালপুর, জকিগঞ্জ, সিলেট।
