/ কাজী সুলতানুল আরেফিন
বর্তমানে যেসব ফান ট্যাবলয়েড আছে তার মধ্যে আমি মনে করি ‘ঠাট্টা’ সবচেয়ে এগিয়ে। এর বিশেষ কারণ হচ্ছে, ঠাট্টার সম্পাদক মশাই খুবই আন্তরিক। প্রথম পড়াতেই ঠাট্টা আমার কাছে ভালো লেগে গিয়েছিল। যেহেতু আমি টুকিটাকি লেখালেখি করি; মনস্থির করলাম ঠাট্টায় লেখা পাঠাব। ফেসবুকের কল্যাণে আমি আগ থেকেই জানতাম ঠাট্টার বিভাগীয় সম্পাদক কে? ভাবলাম লেখা দেওয়ার আগে মশাইয়ের সাথে একটু ঠাট্টা করে নেওয়া যাক!
ইনবক্সে মেসেজ দিলাম, ‘ভাই আমি আপনার ঠাট্টায় লেখা দিতে চাই!’
আমাকে অবাক করে দিয়ে তাত্ক্ষণিক রিপ্লাই এলো, ‘লেখা দিতে কি অনুমতি লাগে নাকি?’
হ্যাঁ, কথাসাহিত্যিক সাইফুল ইসলাম জুয়েল ভাইয়ের সেদিনের রিপ্লাইতে আমি খুব মুগ্ধ হয়েছিলাম। কিছুদিন ঠাট্টায় নিয়মিত লিখেছি। এখন অবশ্য আগের মতো এতটা লেখি না। তবুও ঠাট্টা পরিবারকে নিজের পরিবারই মনে হয়!
এত ভালোবাসার বিপরীতে আমাদের কিছু চাওয়া-পাওয়া থাকতেই পারে ঠাট্টার কাছে। তার মধ্যে অন্যতম চাওয়া হচ্ছে যোগ্যদের ঠাট্টা সুযোগ দিচ্ছে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এর পাশাপাশি স্বীকৃতিও চাই! সম্মানি বা পুরস্কারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে বিভিন্ন বিভাগে। বছরে ঠাট্টা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বনভোজনের আয়োজন করা যেতে পারে! এক মেইলে যেহেতু জট লেগে যাচ্ছে সেহেতু দুটো মেইল খোলা যেতে পারে। সিনিয়রদের চলতি বিষয়ে লেখা পাঠানোর জন্য একটি মেইল আইডি আর জুনিয়র বা অন্য বিভাগের জন্য আরেকটি মেইল আইডি ব্যবহার করা যেতে পারে।
ঠাট্টায় ঠাট্টায় কেটে যাক আরও অনেক যুগ—এই প্রত্যাশা।
