কর্মশালার খণ্ডচিত্র

আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:৫৮

‘তরুণরাই আগামীতে আমাদের দিক-নির্দেশনা দেবে, তাই তাদের সত্য ইতিহাস জেনে এগিয়ে যাওয়া উচিত।’

—তাসমিমা হোসেন, সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক

‘তরুণরা যেন বইয়ের কাছে যায়, বইকে যেন

তারা পর না ভাবে।’

—হায়াত্ মামুদ, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ও অধ্যাপক

‘ভবিষ্যতে গণমাধ্যমকর্মী হতে হলে তরুণদের সব ধরনের মিডিয়াকেই জানতে হবে এবং শিখতে হবে।’

—আফসান চৌধুরী, সাংবাদিক ও গবেষক

‘সেই প্রকৃত সাংবাদিক হয়ে উঠবে, যে কি-না অতীত আর বর্তমানকে বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের পথ নির্দেশনা দিতে পারবে।’

—মনজুরুল আহসান বুলবুল, সিইও, একুশে টিভি

‘ভবিষ্যত্ সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে

ভুয়া তথ্য এবং সঠিক তথ্যকে আলাদা করা।’

—তারিন হোসেন, কার্যনির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক

‘একজন সাংবাদিক সপ্তাহের ৭ দিন এবং ২৪ ঘণ্টাই অ্যাকটিভ। এর মাঝামাঝি আর কিছু নেই।’

—আন্দালিব রাশদী, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক

‘আগামীতে যারা সাংবাদিকতায় আসবে তাদের তথ্যসংগ্রহ এবং পরিবেশনার দক্ষতার পাশাপাশি তথ্য বিশ্লেষণের ক্ষমতা থাকতে হবে।’

—সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, এডিটর-ইন-চিফ, জিটিভি

‘সাংবাদিকতার নিয়মাবলী বা অ্যাথিক্স জানলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না। এক্ষেত্রে পেশার প্রতি থাকতে হবে পূর্ণ সততা।’

জ ই মামুন, প্রধান নির্বাহী সম্পাদক, এটিএন বাংলা

‘ভবিষ্যতে যারা সাংবাদিকতায় আসবে তাদের প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন প্লাটফর্ম থেকে সাংবাদিকতা করবে।’

মুস্তাফিজ শফি, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, সমকাল

‘সাংবাদিকতায় নিজেকে তৈরি করতে হলে শুরুটা প্রিন্ট মিডিয়া দিয়ে করা উচিত।’

মোস্তফা কামাল, নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক কালের কণ্ঠ

‘এই কর্মশালার মাধ্যমে সাংবাদিকতা বিষয়ে তরুণদের জানার একটা ভিন্ন পথ তৈরি হয়েছে।’

প্রফেসর জ্যুড উইলিয়াম হেনিলো,

বিভাগীয় প্রধান, সাংবাদিকতা বিভাগ, ইউল্যাব